• শুক্রবার, ৩০ জুলাই ২০২১, ১২:৫৭ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনাম
আওয়ামীলীগ থেকে বহিস্কৃত হেলেনা জাহাঙ্গীরকে গুলশানের বাসা থেকে আটক করেছে র‍্যাব রাজশাহীর চারঘাট থানার তদন্ত ওসি নিত্য পদ দাসের মৃত্যুবরণ করেছেন আড়িয়াল বিলে ট্রলার চালক ২৩ পরিবারের মাঝে ত্রাণ বিতরণ যশোরে হোটেল শ্রমিকদের মাঝে যশোরের মেয়রের এর ত্রাণ বিতরণ শ্রদ্ধা ও ভালোবাসায় বীর মুক্তিযোদ্ধা শফিউল বশর ভান্ডারীকে স্মরণ তিন ট্রফি নিয়ে দেশে ফিরল টাইগাররা গোয়ালকান্দি ইউপিতে এলজিএসপি-৩ এর অর্থায়নে এসবিবি রাস্তার শুভ উদ্বোধন করেন চেয়ারম্যান আলমগীর বাঘায় কঠোর লকডাউনে বাড়েনি কাঁচা সবজির দাম স্বস্তিতে সাধারণ মানুষ, দুঃশ্চিন্তায় চাষী করোনায় এক দিনে আরও ২৩৯ জনের মৃত্যু কুমিল্লায় অতীতের সব রেকর্ড ভেঙে ৯৬৪ জনের করোনা শনাক্ত ; মৃত্যু১৪ জনের

দূর্গাপুরে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করলেন রিক্সা চালক তারা মিয়া

Reporter Name / ২১ Time View
Update : শনিবার, ১০ এপ্রিল, ২০২১

ফয়সাল চৌধুরী (নেত্রকোণা) প্রতিনিধি :
মানুষ মানুষের জন্য-জীবন জীবনের জন্য’ সমাজে সকলেরই আছে বাঁচার অধিকার। অসহায়দের পাশে দাঁড়নো শুধু সরকারের নয় সকলেরই দায়িত্ব রয়েছে। বর্তমান করোনা প্রেক্ষাপটে হতদরিদ্রদের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ কালে এ কথাগুলো বলেন নেত্রকোনার দুর্গাপুরের মানবতার ফেরিওয়ালা রিক্সাচালক তারা মিয়া।
শুক্রবার (০৯ এপ্রিল) দুপুরে দূর্গাপুর প্রেসক্লাব চত্বরে ৫০ জন হতদরিদ্রদের মাঝে নিরাপদ দুরত্ব বজায় রেখে খাদ্য সামগ্রী ও মাক্স বিতরণ বিতরণ করেন তিনি। এসময় প্রেসক্লাবের সকল সাংবাদিকগণ উপস্থিত ছিলেন।
রিক্সা চালক নিরক্ষর তারা মিয়া বিগত ৭ বছর যাবৎ রিক্সা চালিয়ে সংসার খরচ বাদে জমানো টাকা থেকে সমাজে পিছিয়ে পড়া ছেলে মেয়েদের মাঝে শিক্ষার আলো ছড়িয়ে দিতে বিনামুল্যে শিক্ষা সামগ্রী, মাদরাসা গুলোতে পবিত্র কোরআন শরীফ, বিগত করোনা কালীন সময়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ত্রান তহবিলে অনুদান প্রদানসহ বেশ কয়েকবার হতদরিদ্রদের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করেছেন।
তারা মিয়া (৩১) নেত্রকোণা জেলার দুর্গাপুর উপজেলার সদর ইউনিয়নের দিনমজুর মোঃ হেলিম মিয়ার ছেলে। মা রহিমা খাতুন একজন গৃহিনী। তারা মিয়ার ১২ বছরের ছেলে ও ২ বছরের এক মেয়ে ও স্ত্রী আছে। তার ছেলে পড়াশুনা করছে। ৩ ভাইয়ের সবার বড় তারা মিয়া। সংসারের দারিদ্রতার কারণে কেউই লেখাপড়া করতে পারেনি। এটাই তার মনের কস্ট।
তিনি বলেন, ‘যখন দেখতো ছেলে-মেয়েরা স্কুলে যাচ্ছে তখন সে ভাবত এবং স্বপ্ন দেখত, আমি এবং আমরা তিনভাই শুধু মাত্র দারিদ্রতার কারণে লেখাপড়া করতে পারি নাই। বড় হয়ে নিশ্চয় কিছু না কিছু করব। যখন আমি আয় করব, তখন আমি আমার সংসার চালিয়ে যে সকল গরীব ছেলেমেয়েরা পড়াশুনা করতে অসুবিধা হবে। আমি আমার সাধ্যমত তাদেরকে সহযোগিতা করব। তাদের পাশে দাড়াবো।

গত ১ বছর পূর্বেও তিনি ভাড়ায় চালিত প্যাডেল রিক্সা চালাতো বর্তমানে ব্যাটারি চালিত রিক্সা চালিয়ে সংসার চালাচ্ছে। সে প্রতিদিন তার নিজের ঘরে একটি মাটির ব্যাংকে ২০ থেকে ৩০ টাকা সঞ্চয় করে সেই অর্থ দিয়ে এ সহযোগিতা করে যাচ্ছেন প্রতিনিয়ত।

আজকের এই সমাজে তারা মিয়ার মত বিত্তবানরাও যদি একটু একটু করে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেন তাহলেই বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলায় কোন ছেলে-মেয়েই শিক্ষার আলো থেকে বঞ্চিত হবে না। সমাজ হবে শিক্ষিত, দুর্নীতি মুক্ত। বাংলাদেশ হবে পৃথিবীর মধ্যে একটি সুন্দর দেশ। এ স্বপ্নই দেখছেন রিক্সাচালক তারা মিয়া।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
ছবি ও নিউজ কপি করা নাজমুলের নিসেদ