• বৃহস্পতিবার, ২৯ জুলাই ২০২১, ০৭:২৪ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]

রাজশাহীতে দ্বিগুণ দামে বিক্রি হচ্ছে বসন্তের ফুল

Reporter Name / ৬ Time View
Update : শনিবার, ১৩ ফেব্রুয়ারী, ২০২১

মোঃ পাভেল ইসলাম প্রধান প্রতিবেদক

কবি সুভাষ মুখোপাধ্যায় বলেছেন- ‘ফুল ফুটুক না ফুটুক, আজ বসন্ত।’ হ্যাঁ, সত্যিই ফুল ফুটেছে। হাজারো ফুলের সমারোহ জানিয়ে দিচ্ছে বসন্তের আগমনী বার্তা। আগামীকাল ১৪ ফেব্রুয়ারি,একই দিনে বিশ্ব ভালোবাসা দিবস ও পহেলা ফাগুন পালন করবে উৎসব প্রেমীরা। প্রতি বছরের ন্যায় এবছরও এসব উপলক্ষকে ঘিরে জমে উঠেছে রাজশাহী সাহেব বাজার জিরোপয়েন্টে অবস্থিত ফুলেরবাজার। তবে করোনাভাইরাসের প্রভাবে অন্যান্য বছরের তুলনায় ফুলের দাম বাড়িয়ে দিয়েছে বিক্রেতারা। হান্নান নামের এক ফুল বিক্রেতা জানান, ‘ফুলে করোনাভাইরাসের ( কোভিড-১৯) প্রভাব পড়েছে। কারণ যে সময় পুরো দেশ লকডাউন ছিল, তখন প্রতিদিন কোটি কোটি টাকার ফুল পচে নষ্ট হয়েছে। তখন অনেকে ফুলের বাগান নষ্ট করে অন্য কাজে লাগিয়েছেন। এখন সে কারণে ফুলের সরবরাহ কম।’এই জন্য সাধারণত এইবার ফুলের দাম বেরে গেছে। ফুল বিক্রেতা জনি বলেন, ‘ওই সময়ের পর থেকে এখন পর্যন্ত শুধু ডিসেম্বরেই ব্যবসা ভালো গেছে। আর এখন এসেছে ভ্যালেন্টাইন আর ফাল্গুন। হঠাৎ সরবরাহের তুলনায় চাহিদা বাড়ায় এখন দাম খুবই বাড়তি।’ স্বপন নামের আরেক ব্যবসায়ী প্রত্যেক ফুল দেখিয়ে দেখিয়ে বলেন , ‘গত বছর গোলাপের সবচেয়ে ভালোটার দাম ছিল ১০ থেকে ১২ টাকা। সেটা এখন ১৫ থেকে ১৭ টাকায় কিনতে হচ্ছে। আমরা ২৫ থেকে ৩০ টাকায় বিক্রি করছি। দাম গত বছরের তুলনায় প্রায় দেঁড়গুণ।’ ‘এছাড়া গ্লাডিওলাস পাইকারিতে ১০ থেকে ১২ টাকা থেকে বেড়ে ১৫ থেকে ১৭ টাকা হয়েছে। বিক্রি হচ্ছে ৩০ টাকায়। রজনীগন্ধা ৬-৭ থেকে বেড়ে এখন ৯-১০ টাকা, জারবেরা ফুলের দাম ছিল ১৫ টাকা যা এখন বেড়ে ২০ থেকে ২৫ টাকা হয়েছে।’ তিনি বলেন, ‘পয়লা ফাল্গুনে সবচেয়ে বেশি চাহিদার ফুল বাসন্তী গাঁদার চেইন আমরা কিছু দিন আগে ৮০ টাকায় বিক্রি করছিলাম । কিন্তু বর্তমানে আমাদের কে ফুলের এই চেইন প্রত্যেকটি বিক্রি করতে হচ্ছে ১৫০ টাকা করে। আমরা যেখান থেকে এই ফুল কিনি সেখান থেকে দাম বাড়িয়ে দিয়েছে। ফাইমা নামের এক ক্রেতা জানান, প্রত্যেক বার আমি ফাল্গুন ও ভালবাসা দিবসে ফুল ক্রয় করি।কিন্তু এইবার আগের চাইতে ফুলের দাম টা অনেক বেশি মনে হচ্ছে। তারপরেও নিজের জন্য ফুল ক্রয় করলাম। পুষ্পালয়ের প্রোপাইটর মোঃ রাজীবের সাথে কথা বলে জানা যায়, এই করোনা কালীন সময়ে কি পরিমাণ ফুল বিক্রি হবে তা সম্পর্কে আমরা কোন ধারণা পাচ্ছি না। বিক্রি করার জন্য কেমন ধরণের ফুল কিনবো কি পরিমাণে বাগান মালীকদের কাছে থেকে কিনবো বূঝে উঠতে পারছি না। তারপরেও এখন পর্যন্ত ভাল ফুল কিনছেন ক্রেতারা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
ছবি ও নিউজ কপি করা নাজমুলের নিসেদ