ঢাকা ১১:০৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৩০ নভেম্বর ২০২২, ১৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

বিচারপতি গোলাম রাব্বানীর জানাজা সম্পন্ন

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৭:৩৪:২৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৬ নভেম্বর ২০২২ ১০ বার পড়া হয়েছে

জাতীয় ডেস্ক : বিচারপতির গোলাম রাব্বানীর জানাজা আজ বেলা ১১টার দিকে সুপ্রিমকোর্টের ইনার গার্ডেনে জানাজা সম্পন্ন হয়। জানাজায় প্রধান বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী, সাবেক প্রধান বিচারপতি মোজাম্মেল হোসেন, সুপ্রিমকোর্টের বিচারপতিগন, রেলপথমন্ত্রী নুরুল ইসলাম সুজন, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ. ম রেজাউল করিম, এটর্নি জেনারেল এ এম আমিন উদ্দিন, সুপ্রিমকোর্ট বার সভাপতি মমতাজ উদ্দিন ফকির, সাবেক স্পিকার ও বিএনপি নেতা ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার, সুপ্রিমকোর্ট বার সম্পাদক এডভোকেট আব্দুন নূর দুলাল এবং সিনিয়র আইনজীবীসহ বিপুল সংখ্যক আইনজীবী ও মরহুমের স্বজন শুভাকাঙ্ক্ষী অংশগ্রহণ করেন। জানাজা শেষে বিচারপতি গোলাম রাব্বানীর মরদেহে প্রধান বিচারপতি, এটর্নি জেনারেল, সুপ্রিমকোর্ট আইনজীবী সমিতি, ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির সভাপতি শাহরিয়ার কবির, গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরীসহ বিভিন্ন ব্যক্তি ও সংগঠন ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান। সুপ্রিমকোর্টের আপিল বিভাগের সাবেক বিচারপতি গোলাম রাব্বানী গত ১৪ নভেম্বর মারা যান। তার বয়স হয়েছিল ৮৫ বছর। তিনি দীর্ঘদিন ধরে বার্ধক্যজনিত নানা জটিলতায় ভুগছিলেন। বিচারপতি গোলাম রাব্বানীকে রাজশাহীর কাদিরগঞ্জ হেতিম খাঁ কবরস্থানে দাফন করা হবে। বিচারপতি গোলাম রাব্বানী ২০১০ সাল থেকে ৭ বছর একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির সভাপতি ছিলেন। ২০১৭ সালে তাকে সংগঠনের উপদেষ্টামন্ডলীর সভাপতি নির্বাচিত করা হয়। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত তিনি এ পদেই ছিলেন। গোলাম রাব্বানী ১৯৩৭ সালে ১০ জানুয়ারি রাজশাহীতে তার নানা বাড়িতে জন্মগ্রহণ করেন। শিক্ষাজীবন শেষে ১৯৬০ সালে তার কর্মজীবন শুরু হয়। ১৯৯২ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি তিনি হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ পান। ২০০১ সালের ১১ জানুয়ারি তিনি আপিল বিভাগের বিচারপতি হন। পরের বছর ২০০২ সালের ১০ জানুয়ারি অবসরে যান। কর্মজীবনে তিনি বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলা, ফতোয়া সংক্রান্ত মামলা, তালাক ও ভরণপোষন সংক্রান্ত বিষয়ে উল্লেখযোগ্য রায় দিয়েছেন, যা বিভিন্ন মহলে এখনও সমাদৃত। গোলাম রাব্বানী আইন ও সংবিধান নিয়ে দুই ডজনেরও বেশ বই প্রকাশ করেছেন। এছাড়া মুক্তিযুদ্ধ ও ইসলামের ওপর তার লেখা বই প্রকাশিত হয়েছে।

 

(সূত্র : বাসস)

নিউজটি শেয়ার করুন

বিচারপতি গোলাম রাব্বানীর জানাজা সম্পন্ন

আপডেট সময় : ০৭:৩৪:২৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৬ নভেম্বর ২০২২

জাতীয় ডেস্ক : বিচারপতির গোলাম রাব্বানীর জানাজা আজ বেলা ১১টার দিকে সুপ্রিমকোর্টের ইনার গার্ডেনে জানাজা সম্পন্ন হয়। জানাজায় প্রধান বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী, সাবেক প্রধান বিচারপতি মোজাম্মেল হোসেন, সুপ্রিমকোর্টের বিচারপতিগন, রেলপথমন্ত্রী নুরুল ইসলাম সুজন, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ. ম রেজাউল করিম, এটর্নি জেনারেল এ এম আমিন উদ্দিন, সুপ্রিমকোর্ট বার সভাপতি মমতাজ উদ্দিন ফকির, সাবেক স্পিকার ও বিএনপি নেতা ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার, সুপ্রিমকোর্ট বার সম্পাদক এডভোকেট আব্দুন নূর দুলাল এবং সিনিয়র আইনজীবীসহ বিপুল সংখ্যক আইনজীবী ও মরহুমের স্বজন শুভাকাঙ্ক্ষী অংশগ্রহণ করেন। জানাজা শেষে বিচারপতি গোলাম রাব্বানীর মরদেহে প্রধান বিচারপতি, এটর্নি জেনারেল, সুপ্রিমকোর্ট আইনজীবী সমিতি, ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির সভাপতি শাহরিয়ার কবির, গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরীসহ বিভিন্ন ব্যক্তি ও সংগঠন ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান। সুপ্রিমকোর্টের আপিল বিভাগের সাবেক বিচারপতি গোলাম রাব্বানী গত ১৪ নভেম্বর মারা যান। তার বয়স হয়েছিল ৮৫ বছর। তিনি দীর্ঘদিন ধরে বার্ধক্যজনিত নানা জটিলতায় ভুগছিলেন। বিচারপতি গোলাম রাব্বানীকে রাজশাহীর কাদিরগঞ্জ হেতিম খাঁ কবরস্থানে দাফন করা হবে। বিচারপতি গোলাম রাব্বানী ২০১০ সাল থেকে ৭ বছর একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির সভাপতি ছিলেন। ২০১৭ সালে তাকে সংগঠনের উপদেষ্টামন্ডলীর সভাপতি নির্বাচিত করা হয়। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত তিনি এ পদেই ছিলেন। গোলাম রাব্বানী ১৯৩৭ সালে ১০ জানুয়ারি রাজশাহীতে তার নানা বাড়িতে জন্মগ্রহণ করেন। শিক্ষাজীবন শেষে ১৯৬০ সালে তার কর্মজীবন শুরু হয়। ১৯৯২ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি তিনি হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ পান। ২০০১ সালের ১১ জানুয়ারি তিনি আপিল বিভাগের বিচারপতি হন। পরের বছর ২০০২ সালের ১০ জানুয়ারি অবসরে যান। কর্মজীবনে তিনি বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলা, ফতোয়া সংক্রান্ত মামলা, তালাক ও ভরণপোষন সংক্রান্ত বিষয়ে উল্লেখযোগ্য রায় দিয়েছেন, যা বিভিন্ন মহলে এখনও সমাদৃত। গোলাম রাব্বানী আইন ও সংবিধান নিয়ে দুই ডজনেরও বেশ বই প্রকাশ করেছেন। এছাড়া মুক্তিযুদ্ধ ও ইসলামের ওপর তার লেখা বই প্রকাশিত হয়েছে।

 

(সূত্র : বাসস)