ঢাকা ০৯:৩৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৩০ নভেম্বর ২০২২, ১৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

রাজশাহীতে দুই দিনব্যাপী ডিজিটাল উদ্ভাবনী মেলার সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৫:২১:১৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ নভেম্বর ২০২২ ১৬ বার পড়া হয়েছে

মহানগর সংবাদদাতা ##

‘উদ্ভাবনী জয়োল্লাসে স্মার্ট বাংলাদেশ’ এই স্লোগানকে সামনে রেখে রাজশাহী জেলা প্রশাসন আয়োজিত দুই দিনব্যাপী ডিজিটাল উদ্ভাবনী মেলা-২০২২ এর সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার বিকেলে রাজশাহী কলেজিয়েট স্কুলে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ও রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের মেয়র এ.এইচ.এম খায়রুজ্জামান লিটন। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মেয়র এ.এইচ.এম খায়রুজ্জামান লিটন বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা পরিকল্পিতভাবে একটা লক্ষ্য নিয়ে, একটা ভিশন নিয়ে বাংলাদেশকে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন। ২০১৮ সালের নির্বাচনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের নির্বাচনী ইশতেহারে গুরুত্বসহকারে প্রধামন্ত্রীর উদ্ধৃতি দিয়ে উল্লেখ করা হয়েছিল যে, বাংলাদেশের সকল কর্মকাণ্ড ডিজিটালাইজড করা হবে। সেই ডিজিটাল বাংলাদেশ আজ বাস্তব।
তিনি আরো বলেন, শুরুতে ডিজিটাল বাংলাদেশের কথা যখন বলা হয়, তখন এটি নিয়ে নানা রকম ঠাট্টা-বিদ্রুপ মানুষের কাছ থেকে শুনতে হয়েছে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কোনদিকে না তাকিয়ে তাঁর অবিচল লক্ষ্যে স্থির থাকেন এবং তাঁর সন্তান, যিনি প্রযুক্তির উচ্চ পর্যায়ের জ্ঞানের অধিকারী সজীব ওয়াজেদ জয়কে প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি উপদেষ্টা হিসেবে মনোনয়ন দেন এবং সেখান থেকে তাঁর নেতৃত্বে কাজ শুরু হয়। এখন প্রতিটি জেলা, উপজেলা ও ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে থেকে মানুষে বিভিন্ন তথ্যসেবা পাচ্ছেন। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির সাফল্যের কোন শেষ নেই। এটি দিনকে দিন বাড়ছে। আমাদের নতুন প্রজন্মকে যুগের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলার মতো করে তৈরি করতে হবে। যাতে আমরা পিছিয়ে না যাই। সিটি মেয়র আরো বলেন, রাজশাহীতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব হাইটেক পার্ক তৈরির কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে। এখানে প্রায় ১৪ হাজার তরুণ-তরুণীর কর্মসংস্থান হবে। রাজশাহীতে ব্যক্তি উদ্যোগে প্রায় ৮ হাজার ফ্রিল্যান্সার তৈরি হয়েছে। যারা ঘরে বসে অনলাইনের মাধ্যমে আয় করছে। আগামীতে শিক্ষার্থীরা পড়াশোনার পাশাপাশি দক্ষতা অর্জন করে ঘরে বসে ফ্রিল্যান্সিং করে আয় করতে পারবে।
রাজশাহী জেলা প্রশাসক আব্দুল জলিলের সভাপতিত্বে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন রাজশাহী কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর আব্দুল খালেক ও রাজশাহী জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আবু সালেহ মোঃ আশরাফুল আলম। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের তড়িৎ ও ইলেক্ট্রনিক কৌশল বিভাগের প্রফেসর ড. মোঃ সেলিম হোসেন। উল্লেখ্য, রাজশাহী জেলা প্রশাসন আয়োজিত মেলায় ৫০টির অধিক প্রতিষ্ঠান নিজেদের উদ্ভাধনী প্রদর্শন করেন। প্রদর্শনীর উপর ভিত্তিতে করে তাদের পুরস্কৃত করা হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

রাজশাহীতে দুই দিনব্যাপী ডিজিটাল উদ্ভাবনী মেলার সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণ

আপডেট সময় : ০৫:২১:১৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ নভেম্বর ২০২২

মহানগর সংবাদদাতা ##

‘উদ্ভাবনী জয়োল্লাসে স্মার্ট বাংলাদেশ’ এই স্লোগানকে সামনে রেখে রাজশাহী জেলা প্রশাসন আয়োজিত দুই দিনব্যাপী ডিজিটাল উদ্ভাবনী মেলা-২০২২ এর সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার বিকেলে রাজশাহী কলেজিয়েট স্কুলে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ও রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের মেয়র এ.এইচ.এম খায়রুজ্জামান লিটন। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মেয়র এ.এইচ.এম খায়রুজ্জামান লিটন বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা পরিকল্পিতভাবে একটা লক্ষ্য নিয়ে, একটা ভিশন নিয়ে বাংলাদেশকে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন। ২০১৮ সালের নির্বাচনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের নির্বাচনী ইশতেহারে গুরুত্বসহকারে প্রধামন্ত্রীর উদ্ধৃতি দিয়ে উল্লেখ করা হয়েছিল যে, বাংলাদেশের সকল কর্মকাণ্ড ডিজিটালাইজড করা হবে। সেই ডিজিটাল বাংলাদেশ আজ বাস্তব।
তিনি আরো বলেন, শুরুতে ডিজিটাল বাংলাদেশের কথা যখন বলা হয়, তখন এটি নিয়ে নানা রকম ঠাট্টা-বিদ্রুপ মানুষের কাছ থেকে শুনতে হয়েছে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কোনদিকে না তাকিয়ে তাঁর অবিচল লক্ষ্যে স্থির থাকেন এবং তাঁর সন্তান, যিনি প্রযুক্তির উচ্চ পর্যায়ের জ্ঞানের অধিকারী সজীব ওয়াজেদ জয়কে প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি উপদেষ্টা হিসেবে মনোনয়ন দেন এবং সেখান থেকে তাঁর নেতৃত্বে কাজ শুরু হয়। এখন প্রতিটি জেলা, উপজেলা ও ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে থেকে মানুষে বিভিন্ন তথ্যসেবা পাচ্ছেন। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির সাফল্যের কোন শেষ নেই। এটি দিনকে দিন বাড়ছে। আমাদের নতুন প্রজন্মকে যুগের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলার মতো করে তৈরি করতে হবে। যাতে আমরা পিছিয়ে না যাই। সিটি মেয়র আরো বলেন, রাজশাহীতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব হাইটেক পার্ক তৈরির কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে। এখানে প্রায় ১৪ হাজার তরুণ-তরুণীর কর্মসংস্থান হবে। রাজশাহীতে ব্যক্তি উদ্যোগে প্রায় ৮ হাজার ফ্রিল্যান্সার তৈরি হয়েছে। যারা ঘরে বসে অনলাইনের মাধ্যমে আয় করছে। আগামীতে শিক্ষার্থীরা পড়াশোনার পাশাপাশি দক্ষতা অর্জন করে ঘরে বসে ফ্রিল্যান্সিং করে আয় করতে পারবে।
রাজশাহী জেলা প্রশাসক আব্দুল জলিলের সভাপতিত্বে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন রাজশাহী কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর আব্দুল খালেক ও রাজশাহী জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আবু সালেহ মোঃ আশরাফুল আলম। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের তড়িৎ ও ইলেক্ট্রনিক কৌশল বিভাগের প্রফেসর ড. মোঃ সেলিম হোসেন। উল্লেখ্য, রাজশাহী জেলা প্রশাসন আয়োজিত মেলায় ৫০টির অধিক প্রতিষ্ঠান নিজেদের উদ্ভাধনী প্রদর্শন করেন। প্রদর্শনীর উপর ভিত্তিতে করে তাদের পুরস্কৃত করা হয়।