• বুধবার, ১৭ অগাস্ট ২০২২, ০৪:১৩ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনাম
Tree plantation and Educational Contribution of Inner Wheel Dhaka Krishnochura Dist-345 সিলেটে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থ মাদ্রাসায় তাকওয়া ফাউন্ডেশনের ১ হাজার কোরআন বিতরণ ময়মনসিংহের নান্দাইলে ফাঁসিতে ঝুলন্ত অবস্থায় নিখোঁজ এক বৃদ্ধ ভিক্ষুকের লাশ উদ্ধার প্রধানমন্ত্রীর স্বপ্ন বাস্তায়ন করা হয়েছে জেলা প্রশাসক এনামুল হক। নান্দাইল প্রেসক্লাব পদক ২০২২ পেলেন আজকের পত্রিকার সাংবাদিক মিন্টু মিয়া ডিমলা বাসীকে ”ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা” জানিয়েছেন ওসি লাইছুর রহমান তিতাসে বাংলাদেশ ক্ষুদ্র মৎস্যজীবী জেলে সমিতির প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল কুমিল্লা কলেজ থিয়েটারের একযুগ পূর্তিতে চাঁদ পালঙ্কের পালা মঞ্চায়ন বর্ণাঢ্য আয়োজনে পালিত হচ্ছে আরএমপি’র ৩০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পুলিশ আপনার সেবায় সদা প্রস্তুত- করিমগঞ্জ থানার তদন্ত ওসি জয়নাল আবেদীন।

পৃথিবীতে আনা হলো গ্রহাণুর নমুনা

Reporter Name / ৮৫ Time View
Update : বুধবার, ১৬ ডিসেম্বর, ২০২০

তথ্য প্রযুক্তি ডেস্ক :
মহাকাশ গবেষণার ইতিহাসে প্রথমবারের মতো কোনো গ্রহাণু থেকে বড় পরিমাণে মাটি ও পাথর সংগ্রহ করে তা পৃথিবীতে নিয়ে আসতে সক্ষম হয়েছে জাপান। দেশটির মহাকাশ সংস্থা (জাক্সা) জানিয়েছে, তাদের ঐতিহাসিক গ্রহাণু অভিযান সফল হয়েছে। গ্রহাণু জয় করে সম্প্রতি পৃথিবীতে ফিরে আসা হায়াবুসা-টু মহাকাশ যানের একটি ক্যাপসুল খুলে তাতে গ্রহাণু থেকে সংগ্রহ করা মাটি ও পাথর মিলেছে।

রাইয়ুগু নামের গ্রহাণু থেকে নমুনা সংগ্রহ করে গত ৬ ডিসেম্বর অস্ট্রেলিয়ার উমেরা’র মরুভূমিতে নিরাপদে অবতরণ করে জাপানের হায়াবুসা-টু মহাকাশ যানের ৩টি ক্যাপসুল। গত ১৪ ডিসেম্বর জাপানের বিজ্ঞানীরা একটি ক্যাপসুল খোলার পর তার ভেতর গ্রহাণুটির কালো পাথর ও মাটি পেয়েছেন।

যেসব পদার্থ দিয়ে সৌরজগতের সৃষ্টি হয়েছিল, সেগুলোর যে ক’টি এখনো টিকে আছে তার একটি হচ্ছে এই রাইয়ুগু নামের গ্রহাণু। শুধু তাই নয়- মহাশূন্যের গভীর থেকে (ডিপ স্পেস) এই প্রথম বড় পরিমাণে মাটি-পাথর পৃথিবীতে নিয়ে আসা হলো। এসব নমুনা বিজ্ঞানীদেরকে সৌরজগতের গঠন সম্পর্কে মূল তথ্য জানতে সহায়তা করবে। বাকি দুটো ক্যাপসুলেও নমুনা রয়েছে। সেগুলোও খুব শিগগির খুলবেন বিজ্ঞানীরা।

রাইয়ুগু গ্রহাণু থেকে নমুনা সংগ্রহের উদ্দেশ্যে ২০১৪ সালের ডিসেম্বরে হায়াবুসা-টু মহাকাশ যান উৎক্ষেপণ করে জাপান। চার বছর পর ২০১৮ সালের জুন মাসে মহাকাশযানটি রাইয়ুগুতে পৌঁছাতে সক্ষম হয়। এক কিলোমিটার চওড়া এই গ্রহাণুর ওপর ২০১৯ সালের ফেব্রুয়ারিতে অবতরণ করে এবং সংগ্রহ করে বিশুদ্ধ মহাজাগতিক পদার্থের কণা। এ ধরনের এক কিলোমিটার ব্যাসার্ধের গ্রহাণুকে বলা হয় পৃথিবীর কাছের গ্রহাণু বা ‘নিয়ার আর্থ অ্যাস্ট্রয়েড’, কারণ এর কক্ষপথ পৃথিবীর কক্ষপথের মধ্যে পড়ে।

রাইয়ুগু গ্রহাণু আবিষ্কৃত হয় ১৯৯৯ সালে। এটি সি-টাইপ গ্রুপের গ্রহাণু। যেসব গ্রহাণুতে কার্বনের পরিমাণ অত্যাধিক তারা এই গ্রুপের অন্তর্ভুক্ত। এগুলোকে সৌরজগতের প্রাচীন গ্রহাণু হিসেবে বিবেচনা করা হয়। এ ধরনের গ্রহাণুতে প্রচুর পরিমাণে পাথর আর খনিজ থাকে। মনে করা হয়, সৌরমণ্ডলের সৃষ্টির সময়কার এগুলো। ফলে বিজ্ঞানীদের বিশ্বাস, এসব পাথর আর খনিজের নমুনাগুলো ব্যাখ্যা করতে সাহায্য করতে পারে যে, পৃথিবীতে কিভাবে পানির উদ্ভব হয়েছিল। এছাড়াও খুলতে পারে সৌরজগতের আরো কিছু ‘আদি’ রহস্যের জট।

এদিকে গ্রহাণু নিয়ে নাসার একটি মহাকাশ অভিযানও চলমান রয়েছে। নাসার ওসিরিস-আরইএক্স মহাকাশ যানের বেন্নু নামক গ্রহাণু থেকে নমুনা নিয়ে ২০২৩ সালে পৃথিবীতে ফেরার কথা রয়েছে।

Print Friendly, PDF & Email


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published.

More News Of This Category