• সোমবার, ০৪ জুলাই ২০২২, ০৬:১০ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনাম
নান্দাইল প্রেসক্লাব পদক ২০২২ পেলেন আজকের পত্রিকার সাংবাদিক মিন্টু মিয়া ডিমলা বাসীকে ”ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা” জানিয়েছেন ওসি লাইছুর রহমান তিতাসে বাংলাদেশ ক্ষুদ্র মৎস্যজীবী জেলে সমিতির প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল কুমিল্লা কলেজ থিয়েটারের একযুগ পূর্তিতে চাঁদ পালঙ্কের পালা মঞ্চায়ন বর্ণাঢ্য আয়োজনে পালিত হচ্ছে আরএমপি’র ৩০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পুলিশ আপনার সেবায় সদা প্রস্তুত- করিমগঞ্জ থানার তদন্ত ওসি জয়নাল আবেদীন। রাজশাহী মেডিকেল কলেজের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপিত বাগমারার ঝিকরা ইউপি’তে চক্ষু শিবির অনুষ্ঠিত আর্তমানবতার সেবায় কাজ করে যাচ্ছেন বড়চর সমাজ কল্যাণ সংগঠনের তরুনরা। নওগাঁর মান্দায় লটারীর মাধ্যমে মহিলাদের জন্য আয়বর্ধক প্রশিক্ষণ প্রকল্পের প্রশিক্ষণার্থী নির্বাচিত

২০০ বছরের ঐতিহ্যসমৃদ্ধ ঢাকার মেরাদিয়া বাজার

নিজস্ব প্রতিবেদক / ৪৩ Time View
Update : মঙ্গলবার, ৪ জানুয়ারী, ২০২২

ঢাকার মেরাদিয়া এমন একটি বাজার যেটার কমপক্ষে ২০০ বছরের ঐতিহ্য রয়েছে। একটি বিশালাকৃতির বটগাছের নীচে শুরু হয়ে এটি ধীরে ধীরে ব্যাপক জনপ্রিয় ও ক্রেতা সমৃদ্ধ হয়েছে। নানা ধরনের ক্রেতার আনাগোনায় সবসময়ই মুখরিত থাকে এ বাজার। সংবাদ সূত্র: A24 News Agency

মোর্শেদ শামীম নামের এক ক্রেতা জানান, ”মেরাদিয়া হাটের ২০০ বছরেরও বেশি পুরানো ঐতিহ্য রয়েছে। আপনি নিত্য প্রয়োজনীয় সবকিছু এখানে পাবেন। আমরা আগে নৌকায় করে এই জায়গায় আসতাম, আর তখন এই এলাকার নিত্যপণ্যের একমাত্র বাজার ছিল এটি। সময়ের পরিক্রমায়, অনেক কিছু পরিবর্তিত হয়েছে, কিন্তু এ বাজার এখনও জনপ্রিয়। এখানে একটি বড় বটগাছ ছিল এবং গাছের চারপাশে দোকানগুলি সাজানো ছিল। এখন গাছ কেটে ফেলা হয়েছে এবং যোগাযোগের প গড়ে উঠেছে কিন্তু এই বাজারটি প্রায় একই রয়ে গেছে।”

গৃহিনী হোসনে আরা হ্যাপী এসেছেন প্রয়োজনীয় কেনাকাটা করতে। তিনি বলেন যে নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসের জন্য এটা চমৎকার একটা জায়গা এটা। খাদ্য অথবা কাপড়, আপনার প্রয়োজনীয় সবকিছুই এখানে পারেন। আরেকটা সৌন্দর্য হচ্ছে এটার একটা উৎসবের আমেজ আছে এবং সব ধরনের ও সব সামর্থ্যরে জনগণ এখানে পণ্য কিনতে আসে।”

যদিও যে গাছটিকে ঘিরে এ বাজারটি শুরু হয়েছিল তা এখন নেই বরং এখন এর পাশে একটি লেক ও বড় মাঠ রয়েছে। নড়াই নদী যেটা এখন রামপুরা খাল নামে পরিচিত সেটা বাজারটির পাশেই বয়ে যাচ্ছে এবং আগে এ নদীপথই বাজারটিতে আসার একমাত্র পথ ছিলো। পুরাতন দোকানি শ্রী স¦পন চন্দ্র বিশ্বাস জানালেন অর্ধ শতাব্দীরও বেশি সময় ধরে চলে আসা তারে পারিবারিক ব্যবসার কথা, ”আমার বাবা এই ব্যবসা শুরু করেছে, এখন আমি পারিবারিক এ ব্যবসা দেখাশোনা করি। অনেক বছর হয়েছে।

এখানে একটা বটগাছ ছিল আর চারপাশে বন ঘেরা ছিল, আমরা বাবার সঙ্গে নৌকায় করে এখানে আসতাম আবার অন্ধকার হওয়ার আগেই ডাকাতের ভয়ে চলে যেতাম। এটা অনেক পুরাতন একটা বাজার। আমার বাবার মৃত্যুর পর আমি ব্যবসাটা চালাচ্ছি প্রায় ৫৫ বছর ধরে। যখন আমরা ব্যবসা শুরু করি আশেপাশে কেউ ছিল না।”

Print Friendly, PDF & Email


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published.

More News Of This Category