• সোমবার, ০৪ জুলাই ২০২২, ১১:৩৪ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনাম
নান্দাইল প্রেসক্লাব পদক ২০২২ পেলেন আজকের পত্রিকার সাংবাদিক মিন্টু মিয়া ডিমলা বাসীকে ”ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা” জানিয়েছেন ওসি লাইছুর রহমান তিতাসে বাংলাদেশ ক্ষুদ্র মৎস্যজীবী জেলে সমিতির প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল কুমিল্লা কলেজ থিয়েটারের একযুগ পূর্তিতে চাঁদ পালঙ্কের পালা মঞ্চায়ন বর্ণাঢ্য আয়োজনে পালিত হচ্ছে আরএমপি’র ৩০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পুলিশ আপনার সেবায় সদা প্রস্তুত- করিমগঞ্জ থানার তদন্ত ওসি জয়নাল আবেদীন। রাজশাহী মেডিকেল কলেজের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপিত বাগমারার ঝিকরা ইউপি’তে চক্ষু শিবির অনুষ্ঠিত আর্তমানবতার সেবায় কাজ করে যাচ্ছেন বড়চর সমাজ কল্যাণ সংগঠনের তরুনরা। নওগাঁর মান্দায় লটারীর মাধ্যমে মহিলাদের জন্য আয়বর্ধক প্রশিক্ষণ প্রকল্পের প্রশিক্ষণার্থী নির্বাচিত

ঠাকুরগাঁওয়ে নির্বাচনী প্রচারনায় পৌরবাসীর বিরক্তি!

Reporter Name / ৮৩ Time View
Update : রবিবার, ৭ ফেব্রুয়ারী, ২০২১

মোঃ আকতারুল ইসলাম আক্তার ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি : ভোটারদের আকৃষ্ট করতে প্রার্থীর পক্ষে তাঁর কর্মীরা ভোটারের বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোট চাইছেন । তবে কেউ কেউ এতে বিরক্তও হচ্ছেন। সেই বিরক্ত থেকে বাঁচতে বাড়ির ফটকে প্রার্থীদের প্রতি অনুরোধলিপি লিখে দিয়েছেন ঠাকুরগাঁও পৌর শহরের এক বাসিন্দা।

চলমান পৌর নির্বাচনের চতুর্থ ধাপে ১৪ ফেব্রুয়ারি ঠাকুরগাঁও  পৌরসভার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

পৌর এলাকার মানুষের সঙ্গে বিরামহীন গণসংযোগ করে যাচ্ছেন প্রার্থীরা। চলছে মাইকে প্রচারণা। পৌর এলাকার বাড়ি বাড়ি গিয়ে প্রার্থীর পক্ষে ভোট চাইছেন কর্মীরা।

প্রার্থীর কর্মী-সমর্থদের এমন বিরক্তির হাত থেকে রক্ষায় ৪ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা ফেরদৌস আরা বাড়ির কেচি গেটে প্রার্থী-সমর্থকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে একটা অনুরোধলিপি ঝুলিয়ে দিয়েছেন। সেখানে লেখা রয়েছে, ‘এই পৌরসভায় আমাদের ভোট নেই। তাই ভোট চাইতে এসে অযথা সময় নষ্ট করবেন না।’

ঠাকুরগাঁও পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডে সাধারণ কাউন্সিলর পদে আটজন প্রার্থী প্রচারণা চালাচ্ছেন। এ ছাড়া প্রচারণা চালাচ্ছেন মেয়র ও সংরক্ষিত আসনের আরও ছয় প্রার্থী। ওয়ার্ডে ১৪টি মাইকের শব্দে কান ঝালাপালা অবস্থা।

প্রার্থীদের কর্মীরা আবার বাড়ি বাড়ি গিয়ে প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন। এতে ওয়ার্ডবাসীর বিরক্তির শেষ নেই।

২ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা আবদুর রশিদ বলেন, ‘দুপুর হলেই প্রার্থীদের মাইকের শব্দে থাকা যায় না। একটু বিশ্রাম নেবেন, সেই সময় কলবেল বেজে ওঠে। দরজা খুললেই প্রার্থীর লোকজন হাতে একটা প্রতীকের ছবি ধরিয়ে দিয়ে চলে যাচ্ছেন।’

সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) ঠাকুরগাঁও জেলার সভাপতি প্রবীণ শিক্ষাবিদ মনতোষ কুমার দে বলেন, প্রার্থীরা পৌর উন্নয়নের স্বপ্ন দেখাচ্ছেন ঠিকই। কিন্তু পরিকল্পিত ও বাসযোগ্য পৌর শহর বাস্তবায়ন করতে হলে কী কী করবেন, তা কোনো প্রার্থীই সঠিকভাবে তুলে ধরছেন না। ভোটের আগে সব প্রার্থী নিজেকে সৎ, যোগ্য, অন্যায়-দুর্নীতির বিরুদ্ধে নির্ভীক, সমাজসেবক দাবি করে ভোট চাইছেন। কিন্তু ভোট পেরোলেই তাঁদের মধ্যে সেই চেতনার আর দেখা পাওয়া যায় না। পৌরবাসীর সুখ-স্বস্তির জন্য ন্যায়পরায়ণ ও পরোপকারী ব্যক্তিকে জনপ্রতিনিধি হিসেবে নির্বাচন করা গুরুত্বপূর্ণ। যাঁরা শুধু ভোটের সময় নয়, সব সময়ই পৌরবাসীর ভাইবোন হবেন।

Print Friendly, PDF & Email


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published.

More News Of This Category