• সোমবার, ০৪ জুলাই ২০২২, ০৭:১২ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনাম
নান্দাইল প্রেসক্লাব পদক ২০২২ পেলেন আজকের পত্রিকার সাংবাদিক মিন্টু মিয়া ডিমলা বাসীকে ”ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা” জানিয়েছেন ওসি লাইছুর রহমান তিতাসে বাংলাদেশ ক্ষুদ্র মৎস্যজীবী জেলে সমিতির প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল কুমিল্লা কলেজ থিয়েটারের একযুগ পূর্তিতে চাঁদ পালঙ্কের পালা মঞ্চায়ন বর্ণাঢ্য আয়োজনে পালিত হচ্ছে আরএমপি’র ৩০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পুলিশ আপনার সেবায় সদা প্রস্তুত- করিমগঞ্জ থানার তদন্ত ওসি জয়নাল আবেদীন। রাজশাহী মেডিকেল কলেজের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপিত বাগমারার ঝিকরা ইউপি’তে চক্ষু শিবির অনুষ্ঠিত আর্তমানবতার সেবায় কাজ করে যাচ্ছেন বড়চর সমাজ কল্যাণ সংগঠনের তরুনরা। নওগাঁর মান্দায় লটারীর মাধ্যমে মহিলাদের জন্য আয়বর্ধক প্রশিক্ষণ প্রকল্পের প্রশিক্ষণার্থী নির্বাচিত

শুভ জন্মদিন হাজী আ ক ম বাহাউদ্দিন বাহার মাননীয় সংসদ সদস্য,কুমিল্লা- ৬

সাইফুল ইসলাম ফয়সাল,কুৃমিল্লা / ১৯ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ১৯ মে, ২০২২

দিনটা ১৯শে মে ১৯৫৪ সাল, যে দিনটায় পৃথিবীতে এমন একজন মানুষের আগমন ঘটে যে ব্যক্তিটি জন্ম না হলে হয়তো বাংলাদেশের বুক থেকে আরো ১৫ বছর পিছিয়ে থাকতো আপনার, আমার প্রাণের শহর কুমিল্লা, হয়তো আজো অন্য জেলার কারোর সাথে আড্ডায় বসলে আলোচনার বিষয় যখন উন্নয়ন তখন মাথা নিচু করে রাখতে হতো আমাদের, কিন্তু একজন ব্যক্তির জন্য আমরা আজো মাথা উচু করতে দ্বিধাবোধ করি না।

আর সে ব্যক্তিটি আর কেউ নয় কুমিল্লার কৃতিসন্তান , কুমিল্লার ভালোবাসা, কুমিল্লার জনতার শেষ আশ্রয়স্থল, কুমিল্লার সকল রাজনীতিবিদদের যোগ্যতম একমাত্র উদাহরণ, কুমিল্লার সিংহ পুরুষ, কুমিল্লার জনতা যার যৌবনের সৌন্দর্যে মুগ্ধ হয়ে নাম দিয়েছিলো “কুমিল্লার অমিতাভ” কুমিল্লা মহানগর আওয়ামীলীগ এর সম্মানিত সভাপতি, কুমিল্লা-০৬ আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য জনাব বীরমুক্তিযোদ্ধা হাজী আ.ক.ম বাহাউদ্দিন বাহার মহোদয়।

আপনার জন্য রইলো জন্মদিনের ফুলেল শুভেচ্ছা নেতা।

৭১ এর মুক্তিযুদ্ধ করে আসার পরে যখন বাংলার নেতা বঙ্গবন্ধু যখন রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় তখনও খুনি মোসতাকের ক্ষমতাশীলদের সাথে লড়াই করে, শত মামলা মাথায় নিয়ে যে ব্যক্তিটি চালিয়ে গেছে তার রাজপথের রাজনীতি সে ব্যক্তিটিই হলো আজকের হাজী বাহার তৎকালে নিজের দল থেকে অবহেলিত হলেও দল থেকে যে মানুষটি বিচ্যুতি হয় নাই, আদর্শ থেকে সরে যায় নাই তিনিই হলেন আজকের কুমিল্লার অমিতাভ।

বঙ্গবন্ধু হত্যার পর ছাত্ররাজনীতি ছেড়ে যে ব্যক্তিটি যোগ দিয়েছিলেন গণরাজনীতিতে কুমিল্লার আওয়ামীলীগকে সুসংগঠিত করার জন্য। আওয়ামীলীগাররা তখন খুনি মোসতাকের কারণে ঘরে ঢুকে গিয়েছিলো, নেতৃত্বের শুন্যতা ছিলো, সেইসব ত্যাগী কর্মীদের ঘর থেকে সাহস জুগিয়ে বের করে নিয়ে এসেছিলেন আমাদের আজকের জনতার কুমিল্লার বস। কিন্তু যতই বঙ্গবন্ধুর পক্ষে তিনি কাজ করে থাকেন না কেনো চক্রান্তের বেড়াজাল থেকে তিনি বেরিয়ে আসতে পারেননি।

তৎকালীন ভিক্টোরিয়া কলেজ ছাত্র সংসদের নির্বাচন, তিনি বঙ্গবন্ধুর পক্ষে প্যানেল দিয়েছিলেন (শফিক জাহাঙ্গীর পরিষদ) কিন্তু ওনার বিপরীতে নিজের সংগঠনের আরেকটা প্যানেল দিয়ে দেয়া হলো, কি কারণে? কেননা শফিক জাহাঙ্গীর পরিষদ জিতে গেলে বাহার এগিয়ে যাবে। বঙ্গবন্ধুর কথা নাই, সংগঠনের কথা নাই, শুধু একটি কথা বাহারকে আটকাও কিন্তু পারে নি তারা। যখন ফলাফল ঘোষনা করলো ১২ টি প্যানেলের মধ্যে বাহার ভাইয়ের দেয়া প্যানেল ১নাম্বার। এই রাজনীতির বেড়াজাল মোকাবেলা করেই ওনাকে রাজনীতি করতে হয়েছে।

আফসোসের বিষয় চক্রান্তের রাজনীতি এখনো শেষ নাই। এখনো চক্রান্ত হয় ওনার বিরুদ্ধে, কুমিল্লার আওয়ামীলীগের ইতিহাসে এত সুসংগঠিত সাংগঠনিক একজন নেতাকে কুচক্র মহল আওয়ামীলীগের খাতায় ২৩ বৎসর ওনার নাম লিখে নাই, এমপি হওয়া সত্ত্বেও ওনাকে কমিটিতে রাখা হয় নাই, বারবার কেটে দেয়া হয়েছে ওনার নাম কিন্তু জননেত্রী শেখ হাসিনার হৃদয় থেকে কাটতে পারে নাই। তাই সেই Expelled বাহারকেই জননেত্রী তিন তিনবার নোমিনেশন দিয়েছেন এবং সেই মান রেখে তিনি আজকে কুমিল্লার তিন তিনবার বিজয়ী এমপি৷

কুমিল্লার ভাগ্যতো সেদিনই লিখা হয়ে গিয়েছিলো যেদিন মাত্র ২৬ বছর বয়সে ভারতীয় অভিনেতা অমিতাভ বচ্চনের মতো দেখতে সুদর্শন একজন মানুষ কুমিল্লার পৌর এলাকার প্রধানের দায়িত্বভার কাধে তুলে নেন।

যার একমাত্র স্বপ্নের জাল বুনা হয় কুমিল্লাকে ঘিরে, সাধারণ মানুষের চিন্তায় যে মগ্ন হয়ে তাদের উন্নয়নের সূত্র মিলায় তিনিই আমাদের কুমিল্লার অভিভাবক হাজী বাহার। যিনি
প্রথম জাতীয় সংসদে কুমিল্লা পৌরসভাকে সিটি কর্পোরেশন করার দাবী উপস্থাপন করেন এবং সেই অনুযায়ী আমরা আজকে বাংলাদেশের ১২ টি সিটি কর্পোরেশন এর একটি কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশন। তার একমাত্র রুপকার আমাদের হাজী বাহার।

কুমিল্লা থেকে এত মন্ত্রী থাকায় সত্ত্বেও একমাত্র তিনিই সর্বপ্রথম জাতীয় সংসদে দাঁড়িয়ে গর্জন দিয়ে মাননীয় স্পিকারের উদ্দেশ্যে প্রশ্ন ছুড়ে দিয়েছিলেন, “কি নেই আমাদের কুমিল্লায় মাননীয় স্পিকার❓” তিনিই জাতীয় ক্ষেত্রে কুমিল্লার ভূমিকা উপস্থাপন করে কুমিল্লাকে বিভাগ করার দাবী উপস্থাপন করেন। তিনিই বলেছিলেন কুমিল্লায় সব আছে শুধুমাত্র নেই একটি বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয়। এই কার্যালয়ের অনুমতি দিলেই কুমিল্লা বিভাগে রুপান্তরিত হয়ে যাবে। কেননা আগে থেকেই কুমিল্লা বিভাগের জন্য গঠন করা আছে।

আবার যখন কুমিল্লার নাম বদলে ময়নামতি দিয়ে বিভাগ করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছিলো তখন তিনিই কুমিল্লার লাখো জনতার হৃদয়ের কথায় সাড়া দিয়ে বক্তব্যে বলেছিলেন, “কোনো আয়নামতি, ময়নামতির নামে নয়, কুমিল্লা বিভাগ হবে কুমিল্লার নামেই ” সেদিন আমরা আপনার ডাকে সাড়া দিয়ে আন্দোলনে নেমেছিলাম, কুমিল্লার নামেই বিভাগ চাই।

যিনি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাথে ভিডিও কনফারেন্সে কান্নার স্বরে আবদার করে বলেছিলো, “আপা, আপা, না আপা কুমিল্লা আপা, কুমিল্লার নামেই বিভাগ চাই আপা” তিনিই হলেন কুমিল্লা জনগণের সুখ দুখের দায়িত্ব কাধে নেয়া জননেতা হাজী আ.ক.ম বাহাউদ্দিন বাহার।

বর্তমানে কুমিল্লার প্রতিটি নাগরিকের প্রাণের স্লোগান “কুমিল্লা এগুলেই, এগুবেই বাংলাদেশ ” এই স্লোগানের রুপকার, যিনি ওনার প্রতিটি বক্তব্যে বলে থাকেন কুমিল্লা এগুলেই, এগুবে বাংলাদেশ। যেই ব্যক্তিটি জনতার সাচ্ছন্দ্যের চিন্তা মাথায় রেখে কুমিল্লায় প্রথম ফ্লাইওভার বাস্তবায়ন করার দুঃসাহস করে এবং চিন্তা অনুযায়ী বাস্তবায়নও করে তিনিই আমাদের জনতার বাহার।

দেশের করোনা মুহূর্ত মোকাবেলায় যিনি নিজের পরিবারের সুস্বাস্থ্যের কথা এক ফোটাও চিন্তা না করে কুমিল্লার প্রতিটি নাগরিকের খেয়াল রাখতে স্বশরীরে ছুটে চলেছে প্রতিটি দরজা থেকে দরজা। সরকারি ত্রাণ বিতরণকে নিজের দায়িত্ব এবং এর বাহিরেও যার নিজের প্রত্যক্ষ প্রচেষ্টায় প্রতিটি পরিবারের হাতে হাতে পৌছে দেয় খাদ্য সামগ্রী উপহার তিনিই আমাদের কুমিল্লার গণমানুষের নেতা হাজী আ.ক.ম বাহাউদ্দিন বাহার।

 

Print Friendly, PDF & Email


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published.

More News Of This Category