• বুধবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২২, ০২:০৫ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনাম
রাণীশংকৈল থানার এসআই হাফিজের বিশেষ অভিযানে ৭৬ পিছ ইয়াবাসহ ২জন মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার ঠাকুরগাঁওয়ে শীতার্তদের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ পালংখালী গয়ালমারা ইয়াং স্টার সোসাইটির ৪র্থতম নির্বাচনে সভাপতি বেলাল উদ্দিন ও সাধারন সম্পাদক সেলিম উদ্দীন নির্বাচিত হয়েছেন। নান্দাইলে অটো রিক্সা চালক কে হত্যা করে ছিনতাইয়ের ঘটনায় ৪ জন আটক রাজশাহীতে ছিনতাইয়ের অভিযোগে যুবক গ্রেপ্তার শাবির ঘটনায় রাবি শিক্ষকদের অবস্থান কর্মসূচি রাজশাহীতে অপহরণ করে মুক্তিপণ দাবী,আটক ১ রাজশাহীতে ১২ বছরের কিশোরী ধর্ষণ-৩ জনের নামে থানায় মামলা শীতার্তের ঘরে গিয়ে শীতবস্ত্র দিয়ে আসছে “হেল্প চাঁপাই” নেত্রকোণার পূর্বধলায় মুক্তিযোদ্ধাদের নিয়ে কটুক্তির প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

বিচারাধীন পাঁচ পাঁচটি মাদক মামলার আসামী কালীগঞ্জে পৌরসভার নির্বাচিত কাউন্সিলর

Reporter Name / ৫১ Time View
Update : মঙ্গলবার, ২ মার্চ, ২০২১

স্টাফ রিপোর্টার, ঝিনাইদহ-

একটি নয়, দুটি নয় আদালতে বিচারাধীন পাঁচ পাঁচটি মাদক মামলার আসামী রুবেল হোসেন কাউন্সির নির্বাচিত হয়ে সবাইকে চমকে দিয়েছেন। রোববার (২৮ ফেব্রয়ারি) অনুষ্ঠিত কালীগঞ্জ পৌরসভা নির্বাচনে রুবেল ২নং সাধারণ ওয়ার্ডের কাউন্সিলর নির্বাচিত হন। তিনি ১০৪৮ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দি দিনবন্ধু পেয়েছেন ৬৪০ ভোট। কালীগঞ্জ পৌর এলাকার খয়েরতলা গ্রামের মন্টু বিশ্বাসের ছেলে রুবেল জনপ্রতিনিধি নির্বাচতি হওয়ার খবরে চক্ষু চড়ক গাছে উঠেছে আইনশৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনীর কর্মকর্তাদের। এটি খারাপ নজীর হয়ে থাকবে বলে পুলিশের কয়েকজন কর্মকর্তা মন্তব্য করেন। তথ্য নিয়ে জানা গেছে, দেশব্যাপী মাদক বিরোধী অভিযান শুরু হলে ক্রসফায়ারের ভয়ে দুই বছর ভারতে পালিয়ে ছিলেন রুবেল। সেখানে তিনি বনগায়ে বসবাস করতেন। ২০১৯ সালের ৫ মে তারিখে শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী হিসেবে রুবেল (৩১) ও তার চাচাতো ভাই সজল (২৩) কালীগঞ্জ থানা পুলিশের কাছে আত্মসমর্পণ করেন। কালীগঞ্জ থানার তৎকালীন ওসি ইউনুচ আলী জানিয়েছিলেন, রুবেল শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী। সে দীর্ঘদিন ধরে ফেন্সিডিল, ইয়াবাসহ বিভিন্ন ধরনের মাদক বিক্রির সাথে জড়িত ছিল। তিনি তার চাচাতো ভাই সজলকে সাথে নিয়ে মাদকের বিরাট সিন্ডিকেট গড়ে তোলেন। র্যাব ও পুলিশের ভাষ্যমতে বিভিন্ন সময়ে তার বাড়িতে পুলিশ, র্যাব ও মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর একাধিকবার অভিযান চালিয়ে অনেক মাদকদ্রব্য উদ্ধারও করে। মাদক দ্রব্য উদ্ধারের পর তার বিরুদ্ধে একে একে ৫টি মামলা দায়ের করা হয়। এখন বিচারাধীন আছে ৫টি মাদক মামলা। রুবেল হোসেন তার হলফনামায়ও ৫টি মাদক মামলা থাকার কথা স্বীকার করেছেন। ঝিনাইদহ র্যাবের তৎকালীন মেজর মনির আটক করার পর তিনি পালিয়ে যান বলেও কথিত আছে। রুবেল হোসেনের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত উল্লেখযোগ্য মামলার মধ্যে রয়েছে, ২০১৭ সালের ৫ জুন কালীগঞ্জ থানায় দায়েরকৃত মামলা নং ০৬, একই থানায় ২০১৪ সালের ২৮ সেপ্টম্বর দায়েরকৃত মামলা নং ২২, ২০০৯ সালের ২৭ এপ্রিল কালীগঞ্জ থানায় দায়েরকৃত মামলা নং ১৯, ২০১২ সালের ১৩ নভেম্বর কালীগঞ্জ থানায় দায়েরকৃত মামলা নং ১৪ ও ২০১০ সালের ২৩ জানুয়ারী কালীগঞ্জ থানায় দায়েরকৃত মামলা নং ২০। এ বিষয়ে কথা হলে নবনির্বাচিত কাউন্সিলর রুবেল হোসেন প্রথমে মামলাগুলো ষড়যন্ত্র হিসেবে উল্লেখ করলেও পরে জানান, ২০১৯ সালের ৫ মে পুলিশের কাছে আত্মসমর্পন করার পর সব কিছু ছেড়ে দিয়ে তাবলীগ করেন। দ্বিনের দাওয়াত দেওয়ার কারণে মানুষ তাকে পচ্ছন্দ করে ভোট দিয়েছেন। তিনি এখন ভালো ও স্বাভাবিক জীবন যাপন করছেন বলেও দাবী করেন। এলাকায় মসজিদও করে দিয়েছেন রুবেল হোসেন। এদিকে একাধিক মাদক মামলার আসামী কাউন্সিলর নির্বাচিত হওয়ার বিষয়ে কালীগঞ্জ উপজেলার নির্বাচন অফিসার আলমগীর হোসেন জানান, আদালত থেকে সাজাপ্রাপ্ত হলে তার মনোনয়ন বাতিল হতো। যেহেতু তার মামলাগুলো বিচারাধীর রয়েছে, সেহেতু তার কাউন্সিলর হতে বাধা ছিল না।

Print Friendly, PDF & Email


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category