• বুধবার, ২৭ অক্টোবর ২০২১, ১১:০৫ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনাম
ঠাকুরগাঁওয়ে জেলা প্রশাসকের দেওয়া গরু পেলেন গড়েয়ার দরিদ্র তেলী খর্গ মোহন সেন রাজশাহীতে বিশ্ব মাতৃদুগ্ধ সপ্তাহ উপলক্ষে কর্মশালা অনুষ্ঠিত নগরীতে ডিবি পুলিশের অভিযানে ৫০০ গ্রাম গাঁজাসহ ২ মাদক ব্যবসায়ী আটক ১৭ মাস পর রুয়েটের হল খুলছে বৃহস্পতিবার ৪০তম বিসিএস; দ্বিতীয় ধাপের মৌখিক পরীক্ষার সূচি প্রকাশ ৪৩তম বি.সি.এস. পরীক্ষা-২০২০ এর প্রিলিমিনারি টেস্টে আরএমপি’র নিষেধাজ্ঞা চর মাজারদিয়া সীমান্তে পড়ে আছে বাইক রাইডারের গুলিবিদ্ধ লাশ সাম্প্রদায়িক দাঙ্গাবাদের কোন প্রকার রেহায় নেই কেজিডিসিএল ঠিকাদার- গ্রাহক ঐক্য পরিষদের মতবিনিময় সভা মাদক ওদুর্নীতি দমনের চ্যালেঞ্জ নিয়ে করিমগঞ্জ থানার-ওসি হলেন শামছুল আলম সিদ্দিকী

ঠাকুরগাঁওয়ে দাদন ব্যবসায়ীর ফাঁদে পড়ে সর্বশান্ত চিকিৎসক, বিচার চেয়ে সংবাদ সম্মেলন 

Reporter Name / ২৩ Time View
Update : রবিবার, ৭ মার্চ, ২০২১

মোঃ আকতারুল ইসলাম আক্তর:
ঠাকুরগাঁওয়ে দাদন ব্যবসায়ির ফাঁদে পড়ে সর্বশান্ত হয়ে সংবাদ সম্মেলন করেছে পল্লী পশু চিকিৎসক আব্দুল হাকিম।

রোববার (৭ই মার্চ) দুপুরে ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার ভূল্লী বাজারে ভূল্লী প্রেসক্লাবের অস্থায়ী কার্যালয়ে এ সংবাদ সম্মেলন করেন।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে  পল্লী পশু চিকিৎসক আব্দুল হাকিম বলেন, আজ আমি নিঃস্ব হয়ে পথের ভিক্ষারী, আমার কিছুই নেই, যা কিছু ছিলো সব তারা নিয়ে নিয়েছে। এখন আর কোন উপায় না পেয়ে সংবাদ সম্মেলন করতে বাধ্য হয়েছি।

গত ২/১০/২০১৭ ইং তারিখে আমার এক আত্নীয় বিদেশ যাবে সেই মর্মে আমার এলাকার পরিচিত দাঁদন ব্যবসায়ি জাহাঙ্গীর আলম এর কাছ থেকে ৩ লক্ষ টাকা হাওলাত বাবদ নেই। পরবর্তীতে সময় সাপেক্ষে আসল ৩ লক্ষ টাকা প্রদান করি এবং সুদ বাবদ তাকে আরোও ৭ লক্ষ ২ হাজার টাকা প্রদান করি। এরপর তার কাছে থাকা আমার জামানত বাবদ ইসলামি ব্যাংক, ঠাকুরগাঁও শাখার দুটি ব্লাংক চেক ও আমার ছেলের সোনালী ব্যাংক, ভূল্লী শাখার একটি ব্লাংক চেক এবং একটি ব্লাংক স্টেম্প ফেরত চাই। কিন্তু সে উক্ত চেক ও স্টেম্প গুলো না দিয়ে উল্টো আমার কাছে টাকা দাবি করে এবং বিভিন্ন ভাবে হুমকি ধামকি ও ভিটে ছাড়ার পায়তারা করতেছে এবং মিথ্যা মামলা দেওয়ার চেষ্টা চালাচ্ছে।

এ সময় আব্দুল হাকিম আরো বলেন, সুদের টাকা দিতে গিয়ে আমাকে বাড়ীর ভিটা পর্যন্ত বিক্রি করতে হয়েছে। আমি তার ভয়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছি। আমার পরিবার খুব কষ্ট করে দিন পার করতেছে। আর কতো টাকা দিলে ক্ষান্ত হবেন দাদন ব্যবসায়ি জাহাঙ্গীর আলম।

তার ফাঁদে পড়ে বহু পরিবার নিঃস্ব হয়েছে। সে অল্প সময়ের মধ্যে সুদের ব্যবসা করে কোটি পতি হয়েছে। আমি সুষ্ঠ তদন্তের মাধ্যমে প্রশাসনের কাছে সহযোগী চাই।

নাম প্রকাশ্যে অনিচ্ছুক এক ব্যবসায়ী বলেন, ব্যবসার কাজে আমি তার কাছ থেকে ৭ লক্ষ টাকা হাওলাত নেই এবং সময় সাপেক্ষে আসল টাকা পরিশোধ করি এবং অতিরিক্ত লাভ বাবদ আরো ৭ লক্ষ টাকা প্রদান করি কিন্তু তারপরেও সে আমাকে মামলার ভয়ভীতি দেখাচ্ছে।

এ বিষয়ে জাহাঙ্গীর আলম জানান, আমি ভূট্টার ব্যবসা করি তার জন্য তাকে কিছু টাকা দিয়েছি। আমি দাদন ব্যবসা করি না।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

একটি পরিকল্পিত আদর্শ ওয়ার্ড গড়ে তোলার লক্ষ্যে সকলের দোয়া প্রার্থী।