• রবিবার, ০৫ ডিসেম্বর ২০২১, ০৮:৩২ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনাম
সবুজ চোখের সেই নারী ইতালিতে যাবতীয় অনিষ্ট থেকে বাঁচার দোয়া মাতাল চালকের ধাক্কায় গুরুতর আহত প্রিয়াঙ্কা, শনিবার অস্ত্রোপচার ৫ম ধাপে নান্দাইলে ১১ ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে যারা নৌকা পেলেন । গাজীপুরে মা তার দুই শিশুকে হত্যার পর নিজেই আত্মহত্যার চেষ্টা নিকের কাছ থেকে দূরে থাকা তাঁর জন্য কষ্টের। শ্রীনগরে সুজন এর উদ্যোগে নবনির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের সম্মাননা স্মারক প্রদান শ্রীনগরে গলায় ফাঁস দিয়ে ৪৫ বছরের এক যুবকের আত্মহত্যা আ’লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য হওয়ায় নগর ভবনে রাসিক মেয়র লিটনকে ফুলেল শুভেচ্ছা দেন আদনান রাজশাহীতে নিয়োগ পরীক্ষায় ইলেক্ট্রনিক ডিভাইস ব্যবহার, দুই পরীক্ষার্থী গ্রেফতার

রাজশাহীর বাঘার সেই কলেজছাত্রী রামেকের ওসিসিতে

Reporter Name / ৪৭ Time View
Update : শুক্রবার, ১২ মার্চ, ২০২১

নিজস্ব প্রতিবেদক

 রাজশাহীর বাঘায় বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়িতে হাজির হয়েছিল এক কলেজছাত্রী (১৭)। শুরু করেছিল অনশনও। এ পরিস্থিতিতে তার ‘প্রেমিক’ পরিবারের সবাইকে নিয়ে বাড়িঘরে তালা লাগিয়ে পালিয়ে যান। পরে ওই ছাত্রীর বাবা বাঘা থানায় ওই প্রেমিকের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা দায়ের করেন। এর পরপরই পুলিশ অনশনরত ওই ছাত্রীকে উদ্ধার করে শুক্রবার সকালে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওয়ান-স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে (ওসিসি) ভর্তি করেছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ছয় মাস আগে গৌরাঙ্গপুর গ্রামের সাজদার রহমানের ছেলে আবদুল্লার (২৫) সঙ্গে সম্পর্ক শুরু হয় একাদশ শ্রেণিপড়ুয়া ওই কলেজছাত্রীর। তাঁদের এ সম্পর্কের কারণে তাঁরা একাধিকবার দেখা করেন। তাঁদের মধ্যে শারীরিক সম্পর্কও হয়। তবে কিছুদিন আগে ওই কলেজছাত্রীকে না জানিয়ে আবদুল্লার আরেক জায়গায় বিয়ে ঠিক করে আবদুল্লার পরিবার। বিয়ের দিনক্ষণও চূড়ান্ত হয়।

এ খবর পেয়ে কলেজছাত্রী প্রেমিক আবদুল্লার বাড়ির সামনে গত বুধবার থেকে অনশনে বসে। এ পরিস্থিতিতে আবদুল্লা তাঁর পরিবারের সবাইকে নিয়ে বাড়িঘরে তালা লাগিয়ে পালিয়ে যান। এর পরিপ্রেক্ষিতে পরদিন বৃহস্পতিবার রাতে ছাত্রীর বাবা থানায় ধর্ষণ মামলা করলে পুলিশ গিয়ে মেয়েটিকে উদ্ধার করে। শুক্রবার সকালে তাকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।

বাঘা থানার ওসি নজরুল ইসলাম বলেন, মেয়েটির বাবা মামলার এজাহারে কয়েকটি তারিখে ধর্ষণের অভিযোগ এনেছেন। সেই তারিখগুলো আমলে নিয়ে ধর্ষণের বিষয়টি অনুসন্ধান চালানো হচ্ছে। আসামিকেও গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। আর মেয়েটিকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

পাকুড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মেরাজুল ইসলাম বলেন, তাঁর ইউনিয়নে এ ঘটনা জানার পর তিনি মেয়েটির নিরাপত্তার জন্য দুজন গ্রাম পুলিশ সদস্যকে সেখানে দায়িত্ব দিয়েছিলেন। মেয়েটির বাবা বৃহস্পতিবার থানায় অভিযোগ দেওয়ার পর বিষয়টি এখন থানা-পুলিশের দায়িত্বে রয়েছে।

 

Print Friendly, PDF & Email


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

একটি পরিকল্পিত আদর্শ ওয়ার্ড গড়ে তোলার লক্ষ্যে সকলের দোয়া প্রার্থী।