• বুধবার, ১৭ অগাস্ট ২০২২, ০১:১২ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনাম
Tree plantation and Educational Contribution of Inner Wheel Dhaka Krishnochura Dist-345 সিলেটে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থ মাদ্রাসায় তাকওয়া ফাউন্ডেশনের ১ হাজার কোরআন বিতরণ ময়মনসিংহের নান্দাইলে ফাঁসিতে ঝুলন্ত অবস্থায় নিখোঁজ এক বৃদ্ধ ভিক্ষুকের লাশ উদ্ধার প্রধানমন্ত্রীর স্বপ্ন বাস্তায়ন করা হয়েছে জেলা প্রশাসক এনামুল হক। নান্দাইল প্রেসক্লাব পদক ২০২২ পেলেন আজকের পত্রিকার সাংবাদিক মিন্টু মিয়া ডিমলা বাসীকে ”ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা” জানিয়েছেন ওসি লাইছুর রহমান তিতাসে বাংলাদেশ ক্ষুদ্র মৎস্যজীবী জেলে সমিতির প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল কুমিল্লা কলেজ থিয়েটারের একযুগ পূর্তিতে চাঁদ পালঙ্কের পালা মঞ্চায়ন বর্ণাঢ্য আয়োজনে পালিত হচ্ছে আরএমপি’র ৩০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পুলিশ আপনার সেবায় সদা প্রস্তুত- করিমগঞ্জ থানার তদন্ত ওসি জয়নাল আবেদীন।

‘ধলাই নদীর বুকে ধান চাষ’

Reporter Name / ৭৭ Time View
Update : সোমবার, ২২ মার্চ, ২০২১

ফয়সাল চৌধুরী (নেত্রকোণা) প্রতিনিধি

মাত্র  কয়েক বছর আগেই সারা বছর পানিতে টইটম্বুর ছিল মদনের  ধলাই নদী। নদীর বুকে পাল তুলে চলত ছোট বড় হাজারও নৌকা। ব্যবসায়ীরা স্বল্প খরছে নৌযান দিয়ে মামামাল পরিবহন করতেন। দু-পাড়ের কৃষকরা হাজার হাজার একর ফসলি জমিতে সেচ দিতেন এই নদী থেকে। এক সময়ের খরস্রোতা এই নদীতে এখন আর পানি প্রবাহিত হয় না।

তার বদলে নদীর বুক জোড়ে তৈরি হয়েছে ফসলের মাঠ। নেত্রকোণার মদন উপজেলার মগড়া নদী থেকে ফতেপুর ইউনিয়নের ফতেপুর গ্রামের পেছন ও নায়েকপুর ইউনিয়নের চন্দ্রতলা গ্রামের সামনে দিয়ে প্রায় ২০ কিলোমিটার প্রবাহিত হয়ে পাশের উপজেলা কেন্দুয়ার সাইডুলি নদীর সঙ্গে মিলিত হয়েছে।

এ ছাড়া ধলাই নদী থেকে ছত্রকোনার পিছনের অংশ প্রায় ৪ কিলোমিটার প্রবাহিত হয়ে তিয়শ্রী ইউনিয়নের সাহিতপুর গ্রামের পিছনের মগড়া নদীতে মিলিত হয়েছে। এলাকার কতিপয় প্রভাবশালী মহল ছত্রকোনার পেছনের অংশসহ বিভিন্ন অংশ যে যার মতো দখলে নিয়ে পানি শুকিয়ে মাছ ধরে ধান চাষ করেছে।
এ ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ অদৃশ্য কারণে নীরব থাকায় জনগণ নদীর উপকারীতা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। এ ছাড়া সরকার বিপুল পরিমাণের রাজস্ব হারাচ্ছে বলে মনে করছেন সচেতনমহল। নদীর দু-পাড়ের কৃষকরা জানান, এই নদীর পানি দিয়ে সারা বছর নিত্য প্রয়োজনীয় কাজ করা যেত। বোরো ফসলের মাঠে সেচ দেওয়ার কোনো চিন্তা করতে হতো না।

এখন আর জমিতে সেচ দেয়ার মতো পানি নেই। তারা আরো জানান, এলাকার জেলেরা নদী থেকে মাছ ধরে জীবিকা নির্বাহ করতো। কিন্তু প্রভাবশালী মহলের দখলে থাকায় মাছ ধরা থেকে বঞ্চিত হয়েছে জেলেসহ সাধারণ জনগণ। দুই তীরে যাদের জমি আছে তারাই নদী দখলে নিচ্ছে।

যাদের জমি নেই তারাও ধান লাগানোর ছলনায় নদী দখল করছে। কেউ কেউ সুবিধা অনুযায়ী বালি উত্তোলন করে অন্যত্র বিক্রি করে দিচ্ছে। মদন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বুলবুল আহমেদ বলেন, নদী থেকে অবৈধ দখলদার উচ্ছেদ করা হবে। নদী খননের জন্য প্রস্তাব প্রেরণ করা হবে।

Print Friendly, PDF & Email


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published.

More News Of This Category