• শনিবার, ০২ জুলাই ২০২২, ০৫:১০ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনাম
তিতাসে বাংলাদেশ ক্ষুদ্র মৎস্যজীবী জেলে সমিতির প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল কুমিল্লা কলেজ থিয়েটারের একযুগ পূর্তিতে চাঁদ পালঙ্কের পালা মঞ্চায়ন বর্ণাঢ্য আয়োজনে পালিত হচ্ছে আরএমপি’র ৩০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পুলিশ আপনার সেবায় সদা প্রস্তুত- করিমগঞ্জ থানার তদন্ত ওসি জয়নাল আবেদীন। রাজশাহী মেডিকেল কলেজের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপিত বাগমারার ঝিকরা ইউপি’তে চক্ষু শিবির অনুষ্ঠিত আর্তমানবতার সেবায় কাজ করে যাচ্ছেন বড়চর সমাজ কল্যাণ সংগঠনের তরুনরা। নওগাঁর মান্দায় লটারীর মাধ্যমে মহিলাদের জন্য আয়বর্ধক প্রশিক্ষণ প্রকল্পের প্রশিক্ষণার্থী নির্বাচিত পুঠিয়ার নান্দিপাড়া স্কুলের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে অভিযোগ দিয়েও সুফল পায়নি এলাকাবাসী জলঢাকা পৌরসভার বাজেট ঘোষণা।

নাজিরপুর শিক্ষা অফিসে অসহায় প্রাথমিক শিক্ষকরা – ই-এফটি পূরণে সিন্ডিকেট করে নেওয়া হচ্ছে ঘুষ

Reporter Name / ১৫৯ Time View
Update : বুধবার, ৩১ মার্চ, ২০২১

শেখ সাইফুল ইসলাম কবির, নাজিরপুর থেকে ফিরেঃ                                              পিরোজপুরের নাজিরপুর উপজেলা শিক্ষা অফিসে চাকরিরত অবস্থায় ইএফটি ফর্ম পূরণ করায় ভুল তথ্য আসায় তা যাচাই-বাছাই করতে এসেছিলেন এক প্রাথমিক শিক্ষিকা। কিন্তু অফিসে কারো কাছে কোন পাত্তাই পাননি তিনি। নাজিরপুর উপজেলা সাংবাদিকের কাছে অভিযোগ করে ভুক্তভোগি বলেন অফিসে ফটোকপি করতে দিতে হয় ১০০-২০০ টাকা, আর স্থায়ী করনের নাম দেখতে দিতে হয় ১০০০ টাকা, অনেক সময় টাকা দেওয়ার পরেও মিলেনা কাঙ্খিত সেবা। উপজেলার ১৭৭ নং চর মাটিভাঙ্গা প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক রীনা পারভীন ১৩ তম গ্রেড প্রদান করার পর ই-এফটিতে ফর্ম পূরন করার পরে ভুল হওয়ায় অফিসে কয়েকজন শিক্ষকের সিন্ডিকেটের মাধ্যমে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারের নেতৃত্বে কয়েকজন প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের অফিসে এনে ই-এফটি ফর্ম পূরন করায় তাদের তথ্য ভুল হয়। ভুল সংশোধনের জন্য ভুক্তভোগি শিক্ষকদের ২৯ নভেম্বর অফিসে ডেকে এনে বিপ্লব কুমার বিশ^াস ৩ নং মাটিভাঙ্গা কদমবাড়ী প্রাথমিক বিদ্যালয় নামে কম্পিউটার সেকশনে বসিয়ে ভুক্তভোগী শিক্ষকদের কাছ হতে ৫০০-১০০০ করে টাকা ঘুষ নিয়ে ই-এফটি ফর্মে সঠিক তথ্য দিবেন এবং এক একটি প্রিন্ট কপি বের করে দিবেন বলে আস্বস্থ করেন। শুধু তাই নয় সার্ভিস বুকে শিক্ষাগত যোগ্যতা সংযুক্ত করতেও প্রত্যেক শিক্ষককে গুনতে হচ্ছে সর্ব নিম্ন ৩০০ থেকে ৫০০ টাকা। নাম প্রকাশ না করার শর্তে শিক্ষকরা অভিযোগ করে বলেন “ সরকার যে তথ্য অধিকার আইন জনগনের জন্য নিশ্চিত করেছেন এর কোন উপকার আমরা পাচ্ছি না” বরং শিক্ষা অফিসে কোন কাজ করতে হলে অফিস সহকারীকে ঘুষ দেওয়া লাগে। না হলে শিক্ষা অফিসে খুবই অসহায় শিক্ষকরা। খোঁজ নিয়ে জানা যায় ই-এফটিতে অনিয়মের জন্য প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর থেকে অঞ্চল ভেদে একজন করে কর্মকর্তা তালিকায় প্রকাশ করা হয়েছে। এ তালিকায় শিক্ষকদের অভিযোগ দিতে তাদের মুঠো ফোন দেওয়া হয়েছে এর পরেও শিক্ষা অফিসে বন্ধ হচ্ছে না ঘুষ বানিজ্য।

এ বিষয়ে নাজিরপুর উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মোঃ আবুল বাশার জানান ঐ শিক্ষক তো আপনাদেরই আত্মীয় স্বজন ভাই-ব্রাদার, বিষয়টি যদি আপনারা কঠিন ভাবে দেখেন তা হলে এটি কঠিন হয়ে যাবে। আর যদি উদার ভাবে দেখেন তাহলে উদার হয়। এ অফিসে কোন আর্থিক লেনদেনের অনুমতি থাকে তা হলে আপনারা জানবেন। বিষয়টি একটু আমাদেরকে ক্ষমা করে দেন আপনাদের সাথে দেখা হবেনে।

এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ ওবায়দুর রহমান বলেন দেখেন আমি ঐ শিক্ষা অফিসার ও সংশ্লিষ্ট শিক্ষককে ডেকে জিজ্ঞাস করেছিলাম বিষয়টি তারা অস্বীকার করেছে।

Print Friendly, PDF & Email


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published.

More News Of This Category