• শুক্রবার, ২২ অক্টোবর ২০২১, ১০:৩৩ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনাম
বালুখালী শিয়াল্লাপাড়ায় স্বর্ণ লুটের ঘটনায় এলাকায় তোলপাড় রাজশাহী জেলা হ্যান্ডবল লীগে অংশগ্রহণকারী ১২টি ক্লাবকে আর্থিক অনুদান প্রদান করেন রাসিক মেয়র রাবি খোলায় কর্মচঞ্চলতা ফিরে পেল বিশ্ববিদ্যালয়কেন্দ্রীক ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা বাবার মতোই এলাকায় জনপ্রিয় রবি ঠাকুরগাঁওয়ে বাল্য বিবাহের দায়ে ইউপি চেয়ারম্যান ও কাজিসহ আটক ০৯ নীলফামারীর ডিমলাতে বন্যায় পানিবন্দি পরিবারের মাঝে ত্রাণ বিতরণ কুমিল্লা নগরীর১৩নং ওয়ার্ড বিড পুলিশের উদ্যাগে শান্তি সমাবেশ অনুষ্ঠিত কুমিল্লা মহানগর আওয়ামী লীগের নবনির্মিত ভবন উদ্বোধন করেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা কুষ্টিয়া লালন শাহ মাজার মাঠ সংলগ্ন কালী নদী থেকে অজ্ঞাত যুবকের লাশ উদ্ধার ডিবি পুলিশের অভিযানে ইয়াবাসহ চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার

কেন্দুয়ায় যৌতুকের বলি গৃহবধু সেতু

Reporter Name / ৫৫ Time View
Update : সোমবার, ১২ এপ্রিল, ২০২১

ফয়সাল চৌধুরী (নেত্রকোণা) প্রতিনিধি:
নেত্রকোণার কেন্দুয়ায় যৌতুকের দাবী মেটাতে না পাড়ায় বিয়ের ৮ মাস পর জীবন দিতে হলো গৃহবধু সেতু আক্তার শিল্পীকে। এ ঘটনায় শিল্পীর স্বামী ফরিদ আলম টমাস ও তার ভগ্নিপতি নূরুল ইসলামকে আসামী করে আজ রবিবার ১১ এপ্রিল নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে কেন্দুয়া থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।
গৃহবধূ শিল্পীর বাবা আব্দুর রউফ বাদী হয়ে থানায় এই মামলা দায়ের করেন। তিনি কেন্দুয়া উপজেলার রোয়াইলবাড়ি তাতিপাড়া গ্রামের মৃত আব্দুল হেকিমের ছেলে।

কেন্দুয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) কাজী শাহ নেওয়াজ আজ ১১ এপ্রিল
রবিবার সন্ধায় বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, কেন্দুয়া উপজেলার সান্দিকোনা ইউনিয়নের স্বল্প মাইজহাটি গ্রামের মৃত আব্দুল হাইয়ের ছেলে ফরিদ আলম টমাসের (২৫) সঙ্গে ইসলামিক বিধানমতে রেজিস্ট্রী কাবিনমূলে প্রায় ৮ মাস আগে আব্দুর রউফের কন্যা সেতু আক্তার শিল্পীর (২৩) বিয়ে হয়। বিয়ের সময় স্বর্ণালঙ্কার ও আসবাবপত্র সহ প্রায় ২ লাখ টাকা মূল্যের জিনিসপত্র দেন শিল্পীর বাবা। কিন্তু বিয়ের পর থেকেই যৌতুক লোভী স্বামী স্ত্রী সেতু আক্তার শিল্পীকে নানাভাবে নির্যাতন শুরু করে।
যৌতুক বাবদ আরো নগদ ২ লাখ টাকা অথবা একটি পালসার ১৫০ সিসি মোটর সাইকেল দেয়ার জন্য চাপ দিতে থাকে। শিল্পী তার বাবার বাড়ি থেকে যৌতুকের টাকা এনে দিতে অপারগতা প্রকাশ করলে তার ওপর নির্যাতনের মাত্রা আরো বাড়তে থাকে। এক পর্যায়ে শিল্পী তার বাবার বাড়িতে চলে আসে। আব্দুর রউফ জানান, গত ৬ এপ্রিল ফরিদ ও তার ভগ্নিপতি শিল্পির বাবার বাড়িতে গিয়ে শিল্পীকে নিজের বাড়িতে নিয়ে যেতে চায়। সেখান থেকে ওই দিনই শিল্পীকে বাড়িতে নিয়ে যৌতুকের জন্য নির্যাতন করে।

পরে ফারুক ও তার ভগ্নিপতি শিল্পীকে চিকিৎসার জন্য ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলা হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত বলে ঘোষনা করেন। হাসপাতাল থেকে তার ভগ্নিপতিকে সঙ্গে নিয়ে লাশ নিজের বাড়িতে ফেলে রেখেই পালিয়ে যায় ফারুক ও তার ভগ্নিপতি। রবিবার কান্না জড়িত কন্ঠে শিল্পীর বাবা রোয়াইলবাড়ি ইউনিয়ন আনসার কমান্ডার আব্দুর রউফ বলেন, ফারুক তার ভগ্নিপতির প্রত্যক্ষ সহযোগিতায় যৌতুকের জন্য নির্যাতন করে আমার মেয়ে শিল্পীকে হত্যা করেছে। আমি এই হত্যাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।
কেন্দুয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) কাজী শাহ নেওয়াজ বলেন, যৌতুকের জন্য মারপিট ও নির্যাতন করে গৃহবধুকে হত্যার অভিযোগে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে থানায় নিয়মিত মামলা দায়ের করা হয়েছে। পুলিশ শিল্পীর স্বামী ফারুক আলম টমাস ও তার ভগ্নিপতি নূরুল ইসলামকে এখনও গ্রেফতার করতে পারেনি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

একটি পরিকল্পিত আদর্শ ওয়ার্ড গড়ে তোলার লক্ষ্যে সকলের দোয়া প্রার্থী।