• রবিবার, ০৫ ডিসেম্বর ২০২১, ০৭:১০ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনাম
সবুজ চোখের সেই নারী ইতালিতে যাবতীয় অনিষ্ট থেকে বাঁচার দোয়া মাতাল চালকের ধাক্কায় গুরুতর আহত প্রিয়াঙ্কা, শনিবার অস্ত্রোপচার ৫ম ধাপে নান্দাইলে ১১ ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে যারা নৌকা পেলেন । গাজীপুরে মা তার দুই শিশুকে হত্যার পর নিজেই আত্মহত্যার চেষ্টা নিকের কাছ থেকে দূরে থাকা তাঁর জন্য কষ্টের। শ্রীনগরে সুজন এর উদ্যোগে নবনির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের সম্মাননা স্মারক প্রদান শ্রীনগরে গলায় ফাঁস দিয়ে ৪৫ বছরের এক যুবকের আত্মহত্যা আ’লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য হওয়ায় নগর ভবনে রাসিক মেয়র লিটনকে ফুলেল শুভেচ্ছা দেন আদনান রাজশাহীতে নিয়োগ পরীক্ষায় ইলেক্ট্রনিক ডিভাইস ব্যবহার, দুই পরীক্ষার্থী গ্রেফতার

স্বামী রাগান্বিত হলে স্ত্রীর করনীয়

Reporter Name / ৩৫ Time View
Update : সোমবার, ১২ এপ্রিল, ২০২১

স্ত্রীর প্রতি স্বামী রাগ হলে স্ত্রীর করণীয়।

কোনো কারণে স্বামী স্ত্রীর প্রতি রাগ হলে তখন স্বামীর রাগকে ঠাণ্ডা করার জন্য এবং নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করার জন্য স্ত্রীর চারটা কাজ করতে হয়। যথাঃ ১। স্ত্রীকে মনে করতে হবে যে, সে স্বামীর অধীনে এবং এই অধীনে থাকার মধ্যেই সাংসারিক ও পারিবারিক কল্যাণ ও শৃংখলা রয়েছে। স্বামীর রাগ সাময়িকভাবে তাকে সহ্য করে নিতে হবে। উল্টা রাগ হওয়া যাবে না।

২। স্বামী রাগ হলে আর যদি সত্যিকারে স্ত্রীর কোনো অন্যায় নাও থাকে, তবুও সেই মুহূর্তে স্ত্রীর চুপ থাকা উচিত। স্বামীর সাথে তর্ক করা ঠিক নয়।কেননা তর্ক শুরু করলে স্বামীর রাগ আরও বেড়ে যাবে। এবং শেষ পর্যন্ত কোনো অঘটন ঘটে যেতে পারে। যেমন মারধর করতে পারে বা খোদা নাখাস্তা তালাকও দিতে পারে। রাগের মুহূর্তেই এসব ঘটে থাকে। অতএব স্বামীর রাগ না বাড়িয়ে, কমানোর চেষ্টা করা উচিত। স্ত্রীর যদি কোনো অন্যায় না থাকে, আর সে স্বামীর রাগের মুহূর্তেও চুপ থাকে কথা কাটাকাটি না করে, তাহলে পরে যখন স্বামীর রাগ ঠাণ্ডা হবে, তখন সে নিজের রাগের জন্য অনুতপ্ত হবে এবং অন্যায় রাগ হওয়া সত্ত্বেও স্ত্রীর ধৈর্য্য এবং ভালো ব্যবহারের কারণে স্ত্রীর প্রতি
মুগ্ধ হবে। তার অনুগত হয়ে পড়বে। আর ভবিষ্যতে রাগ করতে গেলেও ভেবে চিন্তে রাগ করবে।

৩। স্বামীর রাগের পেছনে স্ত্রীর অন্যায় থাকুক বা না থাকুক স্ত্রীর উচিত খোশামোদ- তোশামোদ করে হলেও স্বামীর রাগ ভাঙ্গানো। আর স্ত্রীর যদি
অন্যায় থাকে তাহলে তো তার জিদ ধরা চরম অন্যায় হবে। বরং সাথে সাথে তার ক্ষমা চেয়ে নেওয়া উচিত। যদি তার অন্যায় নাও থাকে, তবুও সে জিদ ধরলে হয়তোবা স্বামীকে নতো করা সম্ভব হবে না। স্ত্রীর জন্য আদৌ উচিত নয়, এমন কল্পনা করা যে আমার অন্যায় নেই।

সুতরাং তোশামোদ করা অপমান। বরং এই খোশামোদের ফলে স্বামীকে স্বাভাবিক করতে পারলে পরে স্বামীর স্বাভাবিক হওয়ার পর সে স্ত্রীর প্রতি মুগ্ধ হয়ে যাবে। এভাবেই স্ত্রীর মান বেড়ে যাবে।

৪। চুপ থেকে, তর্ক না করে, খোশামোদ করেও যদি স্বামীর রাগ ভাঙ্গানো না যায়, তাহলে নির্জনে ঘনিষ্ঠ মুহূর্তে তার কাছে তার চরিত্রের কথা বলবে এবং নিজের অন্যায় থাকলে ক্ষমা চেয়ে নিবে।

ইনশা-আল্লাহ
স্বামীর রাগ দূর হয়ে যাবে।
সংসারে শান্তি বাড়তে থাকবে।

Print Friendly, PDF & Email


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

একটি পরিকল্পিত আদর্শ ওয়ার্ড গড়ে তোলার লক্ষ্যে সকলের দোয়া প্রার্থী।