• মঙ্গলবার, ২৬ অক্টোবর ২০২১, ০২:৫৫ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনাম
ফ্যাশনে এখন পোলো টি-শার্ট গভীর রাতে রাস্তায় সন্তান প্রসব ; কোলে তুলে নিলেন করিমগঞ্জ থানার তদন্ত-ওসি আনোয়ার হোসেনের স্ত্রী কক্সবাজার ও বান্দরবানের ৩ মাদক কারবারী ইয়াবাসহ চট্টগ্রামে আটক যশোর যুবলীগের আয়োজনে আইসিইউ সরঞ্জাম প্রদান করেন সাবেক মেয়র রেন্টু ঠাকুরগাঁওয়ে ৫৭১ পিস ইয়াবা ও ১৪,৮৮৬ টাকা সহ মাদক ব্যাবসায়ী গ্রেফতার বাগমারায় ইউবিসিসিএ এর নির্বাচনে সভাপতি নির্বাচিত রাজ্জাক মোল্লা বাঘা থানা পুলিশের অভিযানে মাদকসহ আটক ৪ ঠাকুরগাঁওয়ে পুকুরে ডুবে শিশুর মৃত্যু কুষ্টিয়ায় চেয়ারম্যান প্রার্থী বক্করের বিরুদ্ধে বোমা ফাটালেন এক আ’লীগ নেত্রী ময়মনসিংহের নান্দাইলে ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের তৃণমূল সভা অনুষ্টিত

রাজশাহীতে স্বাস্থ্য ঝুঁকি নিয়ে রেলওয়ের লাইন কাজ করছেন ওয়েম্যানরা

Reporter Name / ১৯ Time View
Update : রবিবার, ১১ এপ্রিল, ২০২১

রাজশাহীতে স্বাস্থ্য ঝুঁকি নিয়ে রেলওয়ের লাইন কাজ করছেন ওয়েম্যানরা

মোঃ পাভেল ইসলাম প্রধান প্রতিবেদক : করোনাভাইরাসের বিস্তার ও সংক্রমণ বেড়েই চলেছে। তা ঠেকাতে কঠোর স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার নির্দেশ দিয়েছে সরকার। তবে স্বাস্থবিধির ও সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত করার নির্দেশনার পর রেলওয়ের লাইন মেরামতের কর্মীদের কাজ থেমে নেই। গত এক সপ্তাহ ধরেই রাজশাহী শহরে রেললাইনের কাজ করছেন ওয়েম্যানরা। রেল চলাচল সচল রাখতে রেলকর্মীদের করোনা পরিস্থিতিতেও জীবনের ঝুঁকি নিয়ে কাজ করতে হচ্ছে। জানাগেছে, বর্তমান পরিস্থিতির মধ্যে পশ্চিমাঞ্চল রেলের সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষ রেললাইনের ছোটখাটো ত্রুটি-বিচ্যুতি সংস্কার করে নিচ্ছেন । তারাই ধরাবাহিকতায় রাজশাহী মহানগরীর ব্যস্ততম এলাকা নগর ভবন দড়িখরবনা মোড়, বর্ণালী ই-৩৩/ সি গেটটি সংস্কারে ব্যস্ত প্রকৌশল বিভাগের ওয়েম্যান কর্মচারীরা। সেখানে কাজের তদারকি করতে দেখা গেছে, প্রকৌশল বিভাগের ঊর্ধ্বতন উপসহকারী প্রকৌশলী পথ ভবেশ চন্দ্র বংশী ও রেলওয়ে শ্রমিক লীগ ওপেন লেন্স শাখার সভাপতি জহুরুল ইসলাম কে। তবে কাজ করার সময় ওয়েম্যানদের এমনকি তদারককারি কর্মকর্তাদের স্বাস্থ্য বিধি মানার কোনো বালাই ছিল না। তাদের কাছে ছিলনা কোন হ্যান্ড স্যানিটাইজার বা স্বাস্থ সুরক্ষা সমাগ্রী। ফলে স্বাস্থ্য ঝুঁকি নিয়ে কাজ করছে রেলওয়ে প্রকৌশলী বিভাগের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও কর্মচারীরা। করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ঝুঁকির মধ্যেও কেন তারা এভাবে কাজ করছেন তবে কেউই উত্তর দিতে পারেন নি। নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক শ্রমিক বলেন, ‘আমরা তো অসহায়। এই চাকুরী করেই আমাদের পরিবার চালাতে হয়। আমরা জানি না লকডাউন কি আর নিরাপদ দূরত্ব কি। ফলে আমাদের কাজ করে যেতে হয়।’


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

একটি পরিকল্পিত আদর্শ ওয়ার্ড গড়ে তোলার লক্ষ্যে সকলের দোয়া প্রার্থী।