• বুধবার, ২৭ অক্টোবর ২০২১, ১১:১৫ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনাম
ঠাকুরগাঁওয়ে জেলা প্রশাসকের দেওয়া গরু পেলেন গড়েয়ার দরিদ্র তেলী খর্গ মোহন সেন রাজশাহীতে বিশ্ব মাতৃদুগ্ধ সপ্তাহ উপলক্ষে কর্মশালা অনুষ্ঠিত নগরীতে ডিবি পুলিশের অভিযানে ৫০০ গ্রাম গাঁজাসহ ২ মাদক ব্যবসায়ী আটক ১৭ মাস পর রুয়েটের হল খুলছে বৃহস্পতিবার ৪০তম বিসিএস; দ্বিতীয় ধাপের মৌখিক পরীক্ষার সূচি প্রকাশ ৪৩তম বি.সি.এস. পরীক্ষা-২০২০ এর প্রিলিমিনারি টেস্টে আরএমপি’র নিষেধাজ্ঞা চর মাজারদিয়া সীমান্তে পড়ে আছে বাইক রাইডারের গুলিবিদ্ধ লাশ সাম্প্রদায়িক দাঙ্গাবাদের কোন প্রকার রেহায় নেই কেজিডিসিএল ঠিকাদার- গ্রাহক ঐক্য পরিষদের মতবিনিময় সভা মাদক ওদুর্নীতি দমনের চ্যালেঞ্জ নিয়ে করিমগঞ্জ থানার-ওসি হলেন শামছুল আলম সিদ্দিকী

আমেরিকার পর আফগানিস্তান থেকে সেনা সরানোর ঘোষণা দিল ন্যাটো

Reporter Name / ৫৯ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ১৫ এপ্রিল, ২০২১

আমেরিকার পর আফগানিস্তান থেকে সেনা সরানোর ঘোষণা দিল ন্যাটো

আগামী ১১ সেপ্টেম্বর নাগাদ আফগানিস্তান থেকে সব সৈন্য প্রত্যাহারের ঘোষণা দিয়েছে আমেরিকা। এর মাধ্যমে দীর্ঘ দুই দশকের যুদ্ধের সমাপ্তি টানতে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। আমেরিকার এই ঘোষণার পর এবার ন্যাটো জোটও একই মত দিয়েছে। ন্যাটোর পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, যুক্তরাষ্ট্রের পরিকল্পনার সঙ্গে সঙ্গতি রেখে তারাও আফগানিস্তান থেকে সেনা প্রত্যাহার শুরু করবে।যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষামন্ত্রী লয়েড অস্টিন ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্তনি ব্লিঙ্কেনের সঙ্গে বৈঠকের পর সংবাদ সম্মেলনে জোটের মহাসচিব জেনস স্টোলটেনবার্গ জানান, ন্যাটো তাদের ৭ হাজার সেনার সবাইকে প্রত্যাহার করে নিচ্ছে। তিনি আরো জানান, ১ মে থেকে ‘রেসুলুট সাপোর্ট’ সেনাদের প্রত্যাহার শুরু হবে এবং কয়েক মাসের মধ্যেই তা সম্পন্ন হবে। এদিকে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন আমেরিকানদের উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে বলেন, ১১ সেপ্টেম্বর নাগাদ আফগানিস্তান থেকে সব সৈন্য প্রত্যাহার করে নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টার ও পেন্টাগন আক্রমণের দুই দশক পরও সৈন্যদের সেখানে থাকার কোনো যৌক্তিকতা নেই।হোয়াইট হাউস ভাষণের যে উদ্ধৃতি প্রকাশ করেছে সেখানে বাইডেন বলছেন, আমরা আফগানিস্তানে গিয়েছিলাম কারণ ২০ বছর আগে ভয়াবহ হামলা চালানো হয়েছিল। কিন্তু সেটা কোনো যুক্তি হতে পারে না যে এই ২০২১ সালেও সেখানে কেন থাকব। তিনি আরো বলেন, তিনি হচ্ছেন চতুর্থ প্রেসিডেন্ট যিনি আফগানিস্তানে আমেরিকান সৈন্যের উপস্থিতি তদারকি করছেন এবং সংকল্প প্রকাশ করেন, এই দায়িত্ব আর পঞ্চম প্রেসিডেন্টের কাছে চাপিয়ে দেবেন না। বাইডেন বলেন, আমাদের মিত্র এবং সহযোগী, সামরিক নেতা, গোয়েন্দা কর্মকর্তা, কংগ্রেস ও ভাইস প্রেসিডেন্ট কামলা হ্যারিসের সঙ্গে নিবিড় শলাপরামর্শের পরে এই উপসংহারে পৌঁছেছি যে, এখনই সময় আমেরিকার এই দীর্ঘতম যুদ্ধের অবসান ঘটানোর। যুক্তরাষ্ট্র কূটনৈতিক ও মানবিক কর্মকাণ্ডে আফগানিস্তানে কাজ করে যাবে এবং কাবুল সরকারকে সহায়তা প্রদান অব্যাহত রাখবে। বর্তমানে আফগানিস্তানে আড়াই হাজার মার্কিন সেনা রয়েছে। ২০০১ সালে দেশটিতে সামরিক অভিযান শুরুর সময় এই সংখ্যা ছিল ১ লাখ। এই যুদ্ধে ২ হাজার ৪০০ মার্কিন সেনা নিহত হয়। আহত হয় আরো কয়েক হাজার।
সূত্র : নিউইয়র্ক টাইমস


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

একটি পরিকল্পিত আদর্শ ওয়ার্ড গড়ে তোলার লক্ষ্যে সকলের দোয়া প্রার্থী।