• সোমবার, ১৮ অক্টোবর ২০২১, ০১:৪৯ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনাম
সাংবাদিক সুরক্ষা আইন প্রনয়নের দাবীতে দেশব্যাপী প্রধানমন্ত্রীর নিকট স্মারকলিপি প্রদান! ৮নং ওয়ার্ড সিপাইপাড়া নিবাসী পক্ষাঘাতগ্রস্থ সিরাজুল ইসলামকে হুইল চেয়ার উপহার দিলেন রাসিক মেয়র শেখ রাসেল স্মৃতি ক্লাব কাপ বক্সিং টুর্নামেন্টে অংশগ্রহণকারী রাজশাহীর বক্সারদের জার্সি উন্মোচন করলেন মেয়র লিটন ডিমলায় আমন ধানে পোকার আক্রমন- হঠাৎ ঝড়ে দিশেহারা কৃষক আবারও নির্বাচিত হয়ে অসমাপ্ত কাজ সমাপ্ত করতে চান মঙলা জমে উঠেছে আটপাড়া উপজেলার ইউপি নির্বাচন টেকনাফ মডেল থানা পুলিশের অভিযানে ইয়াবাসহ একজন মাদক কারবারী গ্রেফতার‌ দীর্ঘ ১৯ মাস বন্ধ থাকার পর অবশেষে খুলেছে রাবির হল বীর মুক্তিযোদ্ধা সাবেক এমপি মরহুম খুররম খান চৌধুরীর স্মরণে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল পাটাভোগ ইউনিয়ন বিএনপি সহ সভাপতি নাছির উদ্দিন বেপারির মিলাদ ও দোয়া অনুষ্ঠিত

কক্সবাজারে পুলিশের হাতে ঔষধ কোম্পানির এমআর নাজেহাল হওয়ার ভিডিও ভাইরাল

Reporter Name / ৪০ Time View
Update : শনিবার, ২৪ এপ্রিল, ২০২১


অনলাইন ডেস্ক: কক্সবাজারের ঈদগাঁওতে ঔষধ কোম্পানির এক প্রতিনিধিকে বিনাকারণে অশ্লীল ভাষায় নাজেহাল করার অভিযোগ উঠেছে। ঈদগাঁও থানার এএসআই রুহুল আমিন, ট্রাফিক পুলিশের সদস্য মুজিবুর রহমান ও অপর এক কনস্টবলের বিরুদ্ধে এই অভিযোগ করেন ঔষধ কোম্পানির এম আর রহমতুল্লাহ। ২২ এপ্রিল ঈদগাঁও বাসস্টেশনস্থ ডিসি সড়কের মাথায় এ ঘটনাটি ঘটে। ওই ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে সর্বত্রে ধিক্কার, প্রতিবাদ ও ওই পুলিশ সদস্যদের প্রত্যাহারের দাবী উঠে।ভুক্তভোগী রহমত উল্লাহ ঈদগাঁও মাইজপাড়া এলাকার বাসিন্দা এবং একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ঔষধ কোম্পানির প্রতিনিধি হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে কর্মরত রয়েছে।তিনি জানান, প্রতিদিনের মতো স্বাস্থ্য বিধি এবং অন্যান্য নির্দেশনা মেনে মোটর সাইকেল যোগে বাজারের বিভিন্ন ফার্মেসীতে ঔষধের অর্ডার নিচ্ছিলেন। পথিমধ্যে বাসস্থানের ডিসি সড়কের সম্মুখে পৌঁছলে ঈদগাঁও থানার এএসআই রুহুল আমিন নামের এক অফিসার সংকেত দেয়। যথারীতি তাদের সম্মান দেখিয়ে কথা বলি।ভিডিওটি পর্যালোচনা কর দেখা গেছে ট্রাফিক পুলিশের এক সদস্য এসে রহমত উল্লাহর গায়ে হাত তুলতে উদ্যত হন। এ সময় উভয় পক্ষে বাকবিতন্ডা হতে দেখা গেছে। কিছুক্ষণ পর এএসআই রুহুল আমিন এসে রহমত উল্লাহকে অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ করতে দেখাযায়।বেয়াদব ডেকে দাম্ভিকতা দেখায়।এর পর ট্রাফিক পুলিশের কনস্টবল মুজিবুর রহমান এসে বাইকের চাবি ছিনিয়ে নিয়ে কাগজ পত্র দেখাতে বলেন। রহমত উল্লাহ প্রয়োজনীয় কাগজ পত্র প্রদর্শন করার পরও এএসআই রুহুল আমিন অসৌজন্যমূলক আচরণ করতে দেখা গেছে।এদিকে এ ঘটনায় প্রতিবাদ করেছেন ফারিয়ার নেতৃবৃন্দ। পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী হাতে লাঞ্ছিত, অপদস্থ হওয়া কাম্য নয় বলে তারা জানান।এদিকে লকডাউনে বিনা কারণে কিছু কিছু জায়গায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে পথচারী, দোকানদার ও সাধারণ লোকজনের নাজেহাল হওয়ার বিষয়টি কাম্য নয় বলে জানিয়েছেন সচেতন মহল।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

একটি পরিকল্পিত আদর্শ ওয়ার্ড গড়ে তোলার লক্ষ্যে সকলের দোয়া প্রার্থী।