• মঙ্গলবার, ২৬ অক্টোবর ২০২১, ০১:৪৭ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনাম
গভীর রাতে রাস্তায় সন্তান প্রসব ; কোলে তুলে নিলেন করিমগঞ্জ থানার তদন্ত-ওসি আনোয়ার হোসেনের স্ত্রী কক্সবাজার ও বান্দরবানের ৩ মাদক কারবারী ইয়াবাসহ চট্টগ্রামে আটক যশোর যুবলীগের আয়োজনে আইসিইউ সরঞ্জাম প্রদান করেন সাবেক মেয়র রেন্টু ঠাকুরগাঁওয়ে ৫৭১ পিস ইয়াবা ও ১৪,৮৮৬ টাকা সহ মাদক ব্যাবসায়ী গ্রেফতার বাগমারায় ইউবিসিসিএ এর নির্বাচনে সভাপতি নির্বাচিত রাজ্জাক মোল্লা বাঘা থানা পুলিশের অভিযানে মাদকসহ আটক ৪ ঠাকুরগাঁওয়ে পুকুরে ডুবে শিশুর মৃত্যু কুষ্টিয়ায় চেয়ারম্যান প্রার্থী বক্করের বিরুদ্ধে বোমা ফাটালেন এক আ’লীগ নেত্রী ময়মনসিংহের নান্দাইলে ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের তৃণমূল সভা অনুষ্টিত রাণীশংকৈলে ১নং ধর্মগড় ইউনিয়নে চেয়ারম্যান প্রার্থী মোঃ আকবর আলী মাষ্টার জনপ্রিয়তার শীর্ষে।

রাজশাহীতে নকল ঔষধ তৈরির সাথে যেসব সাংবাদিক, ও পুলিশ জড়িত তাদের আইনের আওতায় আনা হবে,আর,এম,পি পুলিশ কমিশনার!

Reporter Name / ২৯৪ Time View
Update : রবিবার, ২৫ এপ্রিল, ২০২১

মোঃ রকিবুজ্জামান রকি :
নকল ঔষধ কারখানার খোজ জানার পর যে সকল সাংবাদিক মাসোয়ারা নিতো তাদেরকে আইনের আওতায় আনার যোর দাবী জানাচ্ছে রাজশাহীর মুলধারার সাংবাদিক মহল।তারা মনে করে যে চার সাংবাদিক আনিসকে সহোযোগিতা করেছে অর্থর জন্য জাতিকে সাস্থোঝুকি মৃত্যুর মতো ঝুঁকিতে ফেলেছে। জাতি কে তারা সাংবাদিক মহলকে এক লজ্জিত ও কলংকিত করেছে তারা দেশ ও জাতির শত্রু তাদের অতি তারাতাড়ি আইনের আওতায় আনা হোক বলে মনে করে সাংবাদিক মহল।এদের মুখোশ উম্মচন করতে হবে বলে জানান রাজশাহীর সিনিয়র সাংবাদিক মহল।

রাজশাহীতে একটি নকল ওষুধ তৈরির কারখানার সন্ধান পেয়েছে গোয়েন্দা পুলিশ। রাজশাহী নগরীর চন্দ্রিমা থানার ভদ্রা জামালপুর এলাকার নিজ বাড়িতেই গড়ে তুলেছিলেন নকল ওষুধের কারখানা। ধরা পড়ার পর কারখানার মালিক শফিকুল ইসলাম ওরফে আনিস (৪৬) দাবি করেছেন, থানা পুলিশকে টাকা দিয়েই তিনি ওষুধ কারখানা চালাতেন। মাসোহারা দিতে হতো শহরের চারজন সাংবাদিককেও।

শুক্রবার (২৩ এপ্রিল) রাত ৯টার দিকে রাজশাহী মহানগর পুলিশের (আরএমপি) গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) একটি দল আনিসের বাড়িতে অভিযান চালায়। এ সময় বাড়ি থেকে বিপুল পরিমাণ নকল ওষুধ জব্দ করা হয়। আটক করা হয় আনিস ও তাঁর সহযোগী রবিউল ইসলামকে (৩২)। মূলহোতা আনিসের বাবার নাম মৃত আনসার আলী। আর আটক রবিউল নগরীর ভদ্রা জামালপুর এলাকার আনসার আলীর ছেলে।

আনিস অনেকটা নির্জন এলাকার তাঁর বাড়ির একটি ঘরে মেশিন বসিয়ে ওষুধ প্যাকেটিং করতেন। অত্যাধুনিক এই মেশিনটি জব্দ করেছে ডিবি পুলিশ। আনিসের বাড়ি থেকে স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালসের বিপুল পরিমাণ সেকলো-২০, এসবি ল্যাবরেটরিজ লিমিটেডের পাওয়ার-৩০, নাভানার পিজোফেন-০.৫, এপেক্স ফার্মার রিলামক্স-৫০০ এবং ইলিমিক্স-২০০ জব্দ করা হয়।এর মধ্যে সেকলো ছিল ১ হাজার ৮৬৪ প্যাকেট। যৌন উত্তেজক পাওয়ার-৩০ মোড়কসহ ছিল ৭৬৯ প্যাকেট। আর মোড়ক ছাড়া ছিল ৫ হাজার ১৮৮ প্যাকেট। এছাড়া এই ওষুধটির সবুজ রঙের পাওয়া গেছে ৬৫ পাতা এবং খোলা ওষুধ পাওয়া গেছে ১৬ কেজি। পিজোফেন পাওয়া গেছে ১ হাজার ৩৫৬ পাতা, ইলিক্সিম ১২৫ পাতা এবং রিলামক্স ২২ পাতা। বড় বড় ১২টি কার্টুনে সেকলো এবং ৭টি কার্টুনে পাওয়ার-৩০ দেখা গেছে। এছাড়া বাড়িটি থেকে বিপুল পরিমাণ ওষুধের খালি খোসা, স্টিকারসহ অন্যান্য সরঞ্জামাদিও জব্দ করা হয়েছে।আনিসের নকল ওষুধ জব্দের পর আরএমপি কমিশনার আবু কালাম সিদ্দিক শনিবার দুপুরে নগর ডিবি কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করেন। সেখানে নগর ডিবি পুলিশের উপ-কমিশনার আরেফিন জুয়েল ও সহকারী কমিশনার রাকিবুল হাসানসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

পুলিশ কমিশনার আবু কালাম সিদ্দিক জানান, জব্দ করা নকল ওষুধগুলোর আনুমানিক মূল্য ৭০ লাখ টাকা। আনিস পুলিশকে জানিয়েছেন দুই বছর ধরে তিনি নকল ওষুধ তৈরি করতেন। তবে তাঁদের কাছে মনে হয়েছে, দীর্ঘ সময় ধরেই আনিস এই কাজে জড়িত ছিলেন। তিনি এসব ওষুধ বাজারেও ছেড়েছেন। তথ্য নিয়ে সেসব ওষুধ বাজার থেকে তুলে নেয়া হবে। এসব নকল ওষুধ খেয়ে কোন কাজ হয় না। তিনি বলেন, বাজারে যেসব ওষুধের চাহিদা বেশি সেগুলোই নকল করতেন আনিস। আনিস ও তাঁর সহযোগীর বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে। ক্যাপসুলের ভেতরে এবং ওষুধ তৈরিতে কী ধরনের পাউডার ব্যবহার হতো জানতে চাইলে পুলিশ কমিশনার বলেন, এটা যে কোন পাউডার হতে পারে। তবে রাসায়নিক পরীক্ষা ছাড়া স্পষ্ট করে বলা যাবে না। তাঁরা এগুলোর রাসায়নিক পরীক্ষার উদ্যোগ নেবেন।

রাতে আটকের সময় আনিসুর এই প্রতিবেদককে বলেন, আগে তিনি দেশের বিভিন্ন ওষুধ কোম্পানীতে টেকনিশিয়ান হিসেবে চাকরি করেছেন। তারপর চাকরি ছেড়ে নিজেই এই কারখানা গড়ে তুলেছেন। প্রয়োজনীয় সব উপাদান আসত ঢাকা থেকে। বাড়িতে তিনি শুধু প্যাকিং করতেন। তিনি সাংবাদিকদের বলেন, চন্দ্রিমা থানা পুলিশ তাঁর এই কারখানার ব্যাপারে জানত। থানায় মাসোহারা দিতে হতো। শহরের চারজন সাংবাদিককেও টাকা দিতে হতো।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে পুলিশ কমিশনার বলেন, আনিসের সঙ্গে যার যার সম্পৃক্ততা পাওয়া যাবে তাঁর বিরুদ্ধেই ব্যবস্থা নেয়া হবে। অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে চন্দ্রিমা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সিরাজুম মুনীর বলেন, নকল ওষুধ কারখানা পাওয়া গেছে বলে শুনেছি। কিন্তু আমার সাথে আনিসের কোন সম্পর্ক ছিল না। তাঁকে আমি চিনতামও না। আনিস কেন বলছে তা জানি না।

এম জি আর এ


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

একটি পরিকল্পিত আদর্শ ওয়ার্ড গড়ে তোলার লক্ষ্যে সকলের দোয়া প্রার্থী।