• বুধবার, ১৭ অগাস্ট ২০২২, ০২:০৭ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনাম
Tree plantation and Educational Contribution of Inner Wheel Dhaka Krishnochura Dist-345 সিলেটে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থ মাদ্রাসায় তাকওয়া ফাউন্ডেশনের ১ হাজার কোরআন বিতরণ ময়মনসিংহের নান্দাইলে ফাঁসিতে ঝুলন্ত অবস্থায় নিখোঁজ এক বৃদ্ধ ভিক্ষুকের লাশ উদ্ধার প্রধানমন্ত্রীর স্বপ্ন বাস্তায়ন করা হয়েছে জেলা প্রশাসক এনামুল হক। নান্দাইল প্রেসক্লাব পদক ২০২২ পেলেন আজকের পত্রিকার সাংবাদিক মিন্টু মিয়া ডিমলা বাসীকে ”ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা” জানিয়েছেন ওসি লাইছুর রহমান তিতাসে বাংলাদেশ ক্ষুদ্র মৎস্যজীবী জেলে সমিতির প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল কুমিল্লা কলেজ থিয়েটারের একযুগ পূর্তিতে চাঁদ পালঙ্কের পালা মঞ্চায়ন বর্ণাঢ্য আয়োজনে পালিত হচ্ছে আরএমপি’র ৩০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পুলিশ আপনার সেবায় সদা প্রস্তুত- করিমগঞ্জ থানার তদন্ত ওসি জয়নাল আবেদীন।

মহামারিতে অর্থ সংকটে গ্রামের ৯২ শতাংশ মানুষ

Reporter Name / ৬২ Time View
Update : রবিবার, ২৫ এপ্রিল, ২০২১

করোনা মহামারির প্রভাবে ৪৮.৪৯ শতাংশ পরিবার থেকে অন্তত একজন কাজ হারিয়েছেন কিংবা কাজ পাওয়ার সুযোগ থেকে বঞ্চিত হয়েছেন। কাজ হারিয়ে অর্থনৈতিক সংকটে পড়েছেন শহরের ৭৩.৩ শতাংশ মানুষ। গ্রামে এই হার আরো বেশি; ৯২.৫ শতাংশ।

পাঁচ সদস্যের ফোরাম ‘ফরমাল রিকগনিশন অব দ্য উইমেনস আনকাউন্টেড ওয়ার্ক’-এর উদ্যোগে চালানো এক জরিপে উঠে এসেছে এই চিত্র। জরিপের শিরোনাম ছিল ‘২০২০-এ করোনাকালে সংসারের সেবাকাজের দ্রুত বিশ্লেষণ’। গত নভেম্বর থেকে জানুয়ারি পর্যন্ত জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক শারমিন্দ নিলোর্মীর নেতৃত্বে এ জরিপ চালানো হয়। এই ফোরামের সদস্য সংস্থাগুলোর মধ্যে আছে—অ্যাকশন এইড বাংলাদেশ, বাংলাদেশ নারী প্রগতি সংস্থা, সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ, অক্সফাম ও মানুষের জন্য ফাউন্ডেশন।

গতকাল জুমে অনুষ্ঠিত এক আলোচনাসভায় জরিপের তথ্য তুলে ধরা হয়। প্রধান অতিথি ছিলেন পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের সংসদীয় কমিটির সদস্য সাবের হোসেন চৌধুরী। বিশেষ অতিথি ছিলেন ইউএন উইমেনের কান্ট্রি রিপ্রেজেন্টেটিভ সোকো ইশিকাওয়া। আলোচক ছিলেন সিপিডির নির্বাহী পরিচালক ড. ফাহমিদা খাতুন, বিএনপিএস-এর নির্বাহী পরিচালক রোকেয়া কবীর, অ্যাকশন এইড বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর সারাহ কবীর এবং অক্সফাম উইমেন এমপাওয়ারমেন্ট অ্যান্ড কেয়ার প্রগ্রামের ম্যানেজার সার হল প্রমুখ। সভাপতিত্ব করেন মানুষের জন্য ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক শাহীন আনাম।

জরিপে দেখা গেছে, মহামারির প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ প্রভাবে ৭৬ শতাংশ পরিবারের আয় কমেছে। মাসে পাঁচ হাজার থেকে ১০ হাজার টাকা আয় করে—এমন ৬৮ শতাংশ পরিবারে আয় কমেছে। ১০ হাজার থেকে ১৫ হাজার টাকা আয় করে—এমন পরিবারে আয় কমেছে ৭৩ শতাংশ।

মহামারির সময় সরকারি-বেসরকারি সহায়তা পেয়েছে শহরের ২২.৯৭ শতাংশ মানুষ। মহামারিতে নারীদের ঘরের কাজের চাপ কয়েক গুণ বেড়েছে। করোনার কারণে সৃষ্ট অভাবে পুরুষের তুলনায় নারীর সম্পত্তিই বেশি বিক্রি করা হয়েছে।

নারীর কাজ না থাকায় ৭৭.৭৮ শতাংশ নারীপ্রধান পরিবার অর্থনৈতিক অনটনে পড়েছে। করোনার মধ্যে ৮৫ শতাংশ শহরের নারীর ঘরের কাজে অংশগ্রহণ ১২৮ শতাংশ বেড়েছে। ঘরের কাজের পাশাপাশি স্বামীর যত্ন, সন্তান ও পরিবারের অন্যদের দেখাশোনা স্বাভাবিক সময়ে তিন থেকে পাঁচ ঘণ্টা করতে হলেও করোনায় সাত-আট ঘণ্টার বেশি করতে হচ্ছে।

করোনাকালে ৩৪.৪ শতাংশ মা সন্তানকে অনলাইনে পড়ালেখায় সহযোগিতা করেছেন। শুধু গ্রামে ৭.৩ শতাংশ বাবা টিভি দেখতে দেখতে তাঁর সন্তানকে টিভিতে অনুষ্ঠিত পড়ালেখা করতে সাহায্য করেছেন। উত্তরদাতাদের ৮২.৭৮ শতাংশ মনে করেন, মহামারি তাদের মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর প্রভাব ফেলেছে।

গ্রামীণ নারী উত্তরদাতাদের মধ্যে ৫০ শতাংশই নিজেদের মানসিকভাবে দুর্বল মনে করছেন, ২০ শতাংশ মানসিকভাবে নিজেদের খুবই বিপর্যস্ত ভাবছেন। শহরের ২৩ শতাংশ নারী নিজেকে মানসিকভাবে খুবই দুর্বল মনে করছেন। গ্রামের ৯৭ শতাংশ ও শহরের ৮৮ শতাংশ নারী নিরাপত্তাহীনতার কথা উল্লেখ করে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন।

Print Friendly, PDF & Email


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published.

More News Of This Category