• শুক্রবার, ২২ অক্টোবর ২০২১, ১০:১৪ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনাম
বালুখালী শিয়াল্লাপাড়ায় স্বর্ণ লুটের ঘটনায় এলাকায় তোলপাড় রাজশাহী জেলা হ্যান্ডবল লীগে অংশগ্রহণকারী ১২টি ক্লাবকে আর্থিক অনুদান প্রদান করেন রাসিক মেয়র রাবি খোলায় কর্মচঞ্চলতা ফিরে পেল বিশ্ববিদ্যালয়কেন্দ্রীক ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা বাবার মতোই এলাকায় জনপ্রিয় রবি ঠাকুরগাঁওয়ে বাল্য বিবাহের দায়ে ইউপি চেয়ারম্যান ও কাজিসহ আটক ০৯ নীলফামারীর ডিমলাতে বন্যায় পানিবন্দি পরিবারের মাঝে ত্রাণ বিতরণ কুমিল্লা নগরীর১৩নং ওয়ার্ড বিড পুলিশের উদ্যাগে শান্তি সমাবেশ অনুষ্ঠিত কুমিল্লা মহানগর আওয়ামী লীগের নবনির্মিত ভবন উদ্বোধন করেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা কুষ্টিয়া লালন শাহ মাজার মাঠ সংলগ্ন কালী নদী থেকে অজ্ঞাত যুবকের লাশ উদ্ধার ডিবি পুলিশের অভিযানে ইয়াবাসহ চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার

রাজশাহী নগরীতে কেজিদরে তরমুজ বিক্রি বন্ধ!

মোঃ রকিবুজ্জামান রকি / ৬৮ Time View
Update : মঙ্গলবার, ২৭ এপ্রিল, ২০২১

রাজশাহীতে এখন থেকে আর কেজিদরে তরমুজ বিক্রি করা যাবে না। ২৮ এপ্রিল (বুধবার) থেকে খুচরা কিংবা পাইকারী বাজারে কেজিদরে তরমুজ বিক্রি করলে ব্যবস্থা নেবে প্রশাসন। আজ মঙ্গলবার (২৭ এপ্রিল) সকালে রাজশাহী জেলা প্রশাসনের দুইজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আড়তে আড়তে গিয়ে এ কথা জানিয়ে এসেছেন। রাজশাহীতে এবার প্রথম থেকেই তরমুজের দাম চড়া দামে বিক্রি করে ব্যবসায়ীরা। নগরীর শালবাগানে তরমুজের আড়ত গুলোতে গিয়ে দেখা গেছে, এখানে পাইকারীতে দুই হাজার টাকা মণ দরে তরমুজ বিক্রি হচ্ছে। খুচরা বিক্রেতারা তা কিনে নিয়ে গিয়ে বাজারে ৬০ থেকে ৭০ টাকা কেজিদরে বিক্রি করছেন। রাজশাহীর আড়তে তরমুজ আসে বরগুনা, খুলনা ও চুয়াডাঙ্গা থেকে। বাজারে এবার তরমুজের দাম বেশি হওয়ায় তা সাধারণ মানুষের ক্রয় ক্ষমতার বাইরে। এই গরমে মন চাইলেও অনেকে তরমুজ ছুঁয়ে দেখতে পারছেন না। সাধারণ ক্রেতারা অভিযোগ করছেন, চাহিদা থাকায় সিণ্ডিকেট করে তরমুজের দাম বৃদ্ধি করে দেয়া হয়েছে। এমন অভিযোগ পেয়ে মঙ্গলবার বাজারে নামেন জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট অভিজিত সরকার ও কৌশিক আহমেদ। তাঁদের সঙ্গে জেলা মার্কেটিং কর্মকর্তা মনোয়ার হোসেনও ছিলেন। আজ বেলা সাড়ে ১১টার দিকে তাঁরা নগরীর শালবাগানে তরমুজের আড়তগুলোতে যান। তাঁদের দেখে কোন কোন আড়ৎদার আড়তের বেড়া লাগিয়ে পালিয়ে যান। তবে কর্মকর্তারা দুটি আড়তে গিয়ে ব্যবসায়ীদের সতর্ক করেন। মামা-ভাগ্নে ফল ভাণ্ডারে গিয়ে দুই ম্যাজিস্ট্রেট সব আড়ত মালিকদের ডাকেন। তারপর জানিয়ে দেন, তরমুজের দাম সাধারণ মানুষের ক্রয় ক্ষমতার মধ্যে নেই। তাই বুধবার থেকে কেজি দরে তরমুজ বিক্রি করা যাবে না। পিস হিসেবে বিক্রি করতে হবে। তাহলে ক্রেতারা দাম করার সুযোগ পাবেন। দামও তাহলে কমে আসবে। এ সময় মামা-ভাগ্নে ফল ভাণ্ডারের মালিক শাহিন হোসেন কালু বলেন, বরগুনা, চুয়াডাঙ্গা, খুলনা থেকে যেসব ব্যবসায়ীরা তরমুজ এই আড়তে আনেন তাঁদেরকেও কেজিদরে মূল্য পরিশোধ করতে হয়। তাই এটি বাস্তবায়ন করতে কয়েকদিন সময় লাগবে। আড়ৎদারেরা বলেন, কেজিদরেই তরমুজ বিক্রি করলে যে দাম কমবে ব্যাপারটি তা নয়। বরং তাঁদেরকে যদি কেজিদরেই বিক্রি করার সুযোগ দেয়া হয় তাহলে একটু সময় নিয়ে তাঁরা বাজার নিয়ন্ত্রণ করবেন। তখন প্রশাসনের কর্মকর্তারা বলেন, তার মানে বাজার নিয়ন্ত্রণের সুযোগ ছিল এবং আছে। কিন্তু আপনারা নিয়ন্ত্রণ করেননি ইচ্ছেকরেই। তাই বুধবার থেকেই কেজিদরে তরমুজ বিক্রি করতে হবে। এরপর জেলা প্রশাসনের দুই নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নগরীর শিরোইল ও ভদ্রা এলাকার কয়েকটি আড়তে গিয়ে একই ঘোষণা দিয়ে আসেন। এ দুই নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জানান, বুধবার থেকে যদি খুচরা কিংবা পাইকারী বাজারে কেজিদরে তরমুজ বিক্রি করা হয় তাহলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। তাই এখন থেকে পিস হিসেবে তরমুজ বিক্রি করতে হবে। একসময় রাজশাহী-নাটোরে প্রচুর তরমুজ উৎপাদন হতো। দিনে দিনে তরমুজের আবাদ কমে এসেছে।রাজশাহীতে এ বছর মাত্র ১৯ হেক্টর জমিতে তরমুজ চাষ হয়েছে


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

একটি পরিকল্পিত আদর্শ ওয়ার্ড গড়ে তোলার লক্ষ্যে সকলের দোয়া প্রার্থী।