• শুক্রবার, ১২ অগাস্ট ২০২২, ১২:১৬ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনাম
Tree plantation and Educational Contribution of Inner Wheel Dhaka Krishnochura Dist-345 সিলেটে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থ মাদ্রাসায় তাকওয়া ফাউন্ডেশনের ১ হাজার কোরআন বিতরণ ময়মনসিংহের নান্দাইলে ফাঁসিতে ঝুলন্ত অবস্থায় নিখোঁজ এক বৃদ্ধ ভিক্ষুকের লাশ উদ্ধার প্রধানমন্ত্রীর স্বপ্ন বাস্তায়ন করা হয়েছে জেলা প্রশাসক এনামুল হক। নান্দাইল প্রেসক্লাব পদক ২০২২ পেলেন আজকের পত্রিকার সাংবাদিক মিন্টু মিয়া ডিমলা বাসীকে ”ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা” জানিয়েছেন ওসি লাইছুর রহমান তিতাসে বাংলাদেশ ক্ষুদ্র মৎস্যজীবী জেলে সমিতির প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল কুমিল্লা কলেজ থিয়েটারের একযুগ পূর্তিতে চাঁদ পালঙ্কের পালা মঞ্চায়ন বর্ণাঢ্য আয়োজনে পালিত হচ্ছে আরএমপি’র ৩০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পুলিশ আপনার সেবায় সদা প্রস্তুত- করিমগঞ্জ থানার তদন্ত ওসি জয়নাল আবেদীন।

কঠোর বিধিনিষেধে ফাঁকা রাজশাহী মহানগর

নিজস্ব প্রতিবেদক / ৬২ Time View
Update : শনিবার, ২৪ জুলাই, ২০২১

করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ রোধে ইদের পর রাজশাহীতে চলছে ‘কঠোর বিধিনিষেধ ’। বিধিনিষেধের দ্বিতীয় দিনেও রাজশাহী নগরীতে বিরাজ করছে নিস্তব্ধতা। প্রধান সড়কগুলোতে হাতে গোনা দু’একটি রিকশা, মোটরসাইকেল, প্রাইভেট কার এবং জরুরি সেবার গাড়ি চলাচল করতে দেখা গেছে। কাঁচাবাজার ও মুদি দোকান ছাড়া শহরের সব মার্কেটের দোকানপাট বন্ধ রয়েছে। বন্ধ রয়েছে দূরপাল্লার যানবাহন চলাচল। লকডাউন বাস্তবায়নে তৎপর থাকতে দেখা গেছে আইনশৃঙ্খলাবাহিনীকে।

শনিবার (২৪ জুলাই) নগরীর কোর্ট বাজার, শহিদ এএইচএম কামারুজ্জামান চত্বর, শিরোইল বাস টার্মিনাল, রেলওয়ে স্টেশন, সাহেববাজার, নিউমার্কেট, তালাইমারী নিউ মার্কেটসহ নগরীর গুরুত্বপূর্ণ এলাকাগুলো ঘুরে দেখা যায়, রাস্তাঘাট একেবারেই ফাঁকা। দু’একজন মানুষ মোড়গুলোতে ঘুরাঘুরি করছে। নির্দেশনার আওতাধীন সকল দোকানপাট বন্ধ রাখতে দেখা গেছে। নগরীর গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে পুলিশসহ অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা অবস্থান নিয়েছেন।

তারা পথচারীদের সচেতন করে মাইকিং করছেন। যারা রাস্তায় বের হচ্ছেন তাদের প্রত্যেককেই পুলিশের জেরার মুখে পড়তে হচ্ছে। জরুরি প্রয়োজন প্রমাণে ব্যর্থ হলে ফিরিয়ে দেয়া হচ্ছে। এছাড়া যারা জরুরি প্রয়োজনে বের হচ্ছেন তাদের দ্রুত কাজ শেষ করে ঘরে ফেরার নির্দেশনাও দেয়া হচ্ছে।

যারা জরুরি প্রয়োজনে বাইরে বের হয়েছেন তারা প্রত্যেকেই মাস্ক ব্যবহার করছেন। নগরীর ভেতরের সরু রাস্তাগুলো দিয়ে যাতায়াতকারী অটো রিকশায় অনেককেই গাদাগাদি করে যাত্রী পরিবহণ করতে দেখা গেছে। এছাড়া এসব চালকরা যাত্রীদের থেকে পাঁচ থেকে দশগুন ভাড়া আদায় করছেন। নগরীর কাজলা এলাকার বাসিন্দা সায়রা বেগম কাশিয়াডাঙ্গা এলাকায় মেয়ের বাসায় কোরবানির মাংস দিতে এসেছিলেন। শুক্রবার সকল বেলা যাওয়ার পথে গাড়ি না পেয়ে বিপাকে পড়েন। অন্যান্য স্বাভাবিক সময়ের ত্রিশ টাকার ভাড়া চাওয়া হয় ১৫০ টাকা। বাধ্য হয়ে ১২০ টাকায় রিকশা নিয়ে গন্তব্যে রওনা দেন তিনি।

চালকরা বলছেন, নগরীর প্রায় প্রতিটি মোড়ে মোড়ে পুলিশের অবস্থান। লকডাউনের প্রথম দিন অটো রিকশাও চলতে দিচ্ছে না। তাদের সামনে পড়লেই জরিমানা অথবা বাতাস ছেড়ে দিচ্ছে।

লকডাউনের প্রথম দিনে দূরপাল্লার কোনো পরিবহণও ছেড়ে যেতে কিংবা প্রবেশ করতে দেখা যায় নি। তবে প্রাইভেট পরিবহণে প্রবাসীদের ও জরুরি প্রয়োজনে যানবাহন চলতে দেখা গেছে। এছাড়া নগরীর কাঁচাবাজারগুলোতে জনসমাগম কিছুটা বেশি দেখা গেছে।শনিবার সকাল থেকেই নগরীজুড়ে সেনাবাহিনী, বিজিবি, র‌্যাব ও পুলিশের টহল দেখা গেছে। নগরীজুড়ে রাজশাহী জেলা প্রশাসনের চারটি ও ৯ টি উপজেলায় ১৮ টি ভ্রাম্যমাণ টিম কাজ করছে। নগরীর প্রবেশপথগুলোতেও পুলিশের বাড়তি নজরদারি দেখা গেছে।

সাহেব বাজার জিরো পয়েন্টের দায়িত্বপ্রাপ্ত পুলিশ সদস্যরা জানান, আগের মতোই নগরীর প্রবেশ পথে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। জরুরি প্রয়োজন ছাড়া কোন পরিবহণ নগরীতে প্রবেশ অথবা বাইরে যেতে দেওয়া হচ্ছে না।

রাজশাহী সড়ক পরিবহণ গ্রুপের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মতিউল হক জানান, সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী শুক্রবার থেকে দূরপাল্লার পরিবহণ বন্ধ রয়েছে। লকডাউন চলাকালীন বন্ধই থাকবে। আর ইদের আগে পরিবহণে স্বাস্থ্যবিধি কিংবা বাড়তি ভাড়া আদায়ের বিষয়ে কোনো অভিযোগ পাওয়া যায় নি।

Print Friendly, PDF & Email


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published.

More News Of This Category