• বুধবার, ২৭ অক্টোবর ২০২১, ০৩:০০ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনাম
রাসিকের কর্মচারী ইউনিয়নের সভা অনুষ্ঠিত শ্রীনগর ভাগ্যকূলে বিট পুলিশের সম্প্রীতি সমাবেশ শ্রীনগরে একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মাঠ দখল করে ড্রেজারের ব্যবসা নাচোলে বিদ্যুৎ এর ৪০০/১৩২ কেভির সাবস্টেশন নির্মানের ফলে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি, প্রতিকার চেয়ে ইউএনও বরাবার আবেদন! দুর্গাপূজায় সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্ট করার পরিকল্পনা লন্ডনে হয়েছে: তথ্যমন্ত্রী রাবির রহমতুন্নেসা হলের নতুন প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক হাসনা হেনা রাজশাহীতে গ্রাহকের কোটি টাকা আত্মসাতের মামলায় গ্লোবাল গেইন গ্রুপের সিইও কারাগারে রাজশাহীতে ছিনতাই হওয়ার ১ ঘন্টার মধ্যে ছিনতাইকারী গ্রেপ্তার বাঘা থানায় আবারও ১১৮ বোতল ফেন্সিডিলসহ আটক ১ নারী দূর্গাপুর ২ নং ইউপি নির্বাচনে আ.লীগের নৌকা প্রতীক প্রত্যাশী প্রভাষক আলিফের জনসংযোগ

রাজশাহীতে দাম কম হওয়ায় পান নিয়ে বিপাকে চাষিরা

নিজস্ব প্রতিবেদক / ৬৬ Time View
Update : রবিবার, ১ আগস্ট, ২০২১

করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ রোধে সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত করেত প্রশাসনের নির্দেশে রাজশাহীর মোহনপুরে চলছে কঠোর লকডাউন। বন্ধ রয়েছে গণপিরবহন। ফলে পাইকার না আসতে পারায় পান বিক্রয় করা নিয়ে বিপাকের মধ্যে পড়েছেন চাষিরা। ক্রেতা না থাকায় কম দামে পান বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছেন চাষিরা। চাষিদের দাবি, উৎপাদন খরচও উঠছে না।

স্থানীয়রা জানান, রাজশাহীর মোহনপুর পান চাষের জন্য আগে থেকে বিখ্যাত। পান চাষ লাভজনক হওয়ায় দিন দিন বৃদ্ধি হচ্ছে পান বরজ। কৃষি অফিসের তথ্যমতে, মোহনপুর উপজেলায় ১ হাজার ১ শত ৮০ হেক্টর জমিতে পান বরজ রয়েছে। পান বরজের সংখ্যা ১৪ হাজার ৪ শত। দেখতে ও স্বাদে ভালো হওয়ায় এই এলাকার পানের চাহিদা বেশি।

দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে সরবরাহ হয়ে থাকে এখানকার পান। প্রতিদিনই উপজেলার বিভিন্ন হাট-বাজারে বসে পানের হাট। এসব হাট-বাজারে পান নিয়ে যান চাষিরা। দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে পাইকাররাও আসেন পান কিনতে। কিন্তু বর্তমান করোনা পরিস্থিতিতে পাইকারী ব্যবসায়ীরা না আসতে পারায় পান নিয়ে বিপাকে পড়েছেন চাষিরা।

মোহনপুর উপজেলার তাঁতীপাড়া গ্রামের চাষি মাহাবুর রহমান, আবুল কালাম ও শহিদ আলম বলেন, ‘এই এলাকার মানুষের মুল পেশা পান চাষ। বর্তমানে করোনা পরিস্থিতির কারণে আমরা সংকটের মধ্যে রয়েছি। মৌসুম শেষ হওয়ায় পান বরজে রাখতেও পারছি না, রাখলে পান মোটা হয়ে যাচ্ছে, নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। আবার হাট-বাজারে পানের দাম খুব কম। ফলে পান বিক্রিও করতে পারছি না।এতে করে উৎপাদন খরচই উঠছে না। ফলে বরজে যেসব শ্রমিক কাজ করছেন, তাদের মজুরিও ঠিকমতো দিতে পারছি না।

মোহনপুর উপজেলার বাদেজুল গ্রামের পান ব্যবসায়ী আব্দুর গফুর ও মোজাহার হোসেন বলেন, ‘হাটে পানের আমদানি বেশ ভালো রয়েছে কিন্তু করোনা ভাইরাসের কারণে বাইরের পাইকাররা আসতে পারছেন না। ফলে চাহিদা কম। সেই কারণে পানের দামও কম।

মোহনপুর উপজেলা কৃষি অফিসার রহিমা খাতুন বলেন, ‘উৎপাদন খরচ কম ও অন্যান্য ফসলের তুলনায় লাভজনক হওয়ায় উপজেলায় পানের আবাদ দিন দিন বাড়ছে। দাম কম থাকলেও পানের বর্তমান অবস্থা ভালো, কৃষি অফিসের পক্ষ থেকে পানের বিভিন্ন সমস্যা নিরসনে কৃষকদের সব ধরনের পরামর্শ প্রদান করা হয়।

এম জি আর এ


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

একটি পরিকল্পিত আদর্শ ওয়ার্ড গড়ে তোলার লক্ষ্যে সকলের দোয়া প্রার্থী।