• শুক্রবার, ২২ অক্টোবর ২০২১, ০৯:৩২ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনাম
বালুখালী শিয়াল্লাপাড়ায় স্বর্ণ লুটের ঘটনায় এলাকায় তোলপাড় রাজশাহী জেলা হ্যান্ডবল লীগে অংশগ্রহণকারী ১২টি ক্লাবকে আর্থিক অনুদান প্রদান করেন রাসিক মেয়র রাবি খোলায় কর্মচঞ্চলতা ফিরে পেল বিশ্ববিদ্যালয়কেন্দ্রীক ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা বাবার মতোই এলাকায় জনপ্রিয় রবি ঠাকুরগাঁওয়ে বাল্য বিবাহের দায়ে ইউপি চেয়ারম্যান ও কাজিসহ আটক ০৯ নীলফামারীর ডিমলাতে বন্যায় পানিবন্দি পরিবারের মাঝে ত্রাণ বিতরণ কুমিল্লা নগরীর১৩নং ওয়ার্ড বিড পুলিশের উদ্যাগে শান্তি সমাবেশ অনুষ্ঠিত কুমিল্লা মহানগর আওয়ামী লীগের নবনির্মিত ভবন উদ্বোধন করেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা কুষ্টিয়া লালন শাহ মাজার মাঠ সংলগ্ন কালী নদী থেকে অজ্ঞাত যুবকের লাশ উদ্ধার ডিবি পুলিশের অভিযানে ইয়াবাসহ চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার

এডিশ মশার খবর জানাতে হটলাইন চালু

সংবাদ২৪ ঘন্টা নিউজ ডেস্ক / ৪৫ Time View
Update : সোমবার, ২ আগস্ট, ২০২১

এডিস মশার লার্ভার উৎস নিধনে আজ থেকে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) নিয়ন্ত্রণ কক্ষ চালু হয়েছে। সোমবার (২ আগস্ট) করপোরেশনের নিয়ন্ত্রণ কক্ষে কার্যক্রম পরিচালনায় অংশ নিয়েছেন ডিএসসিসি মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস।

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন বলছে, ডেঙ্গু মশার প্রজননের ফলে এর বিস্তৃতি লাভ করেছে। উৎস নিধন ছাড়া এডিস মশা নির্মূল করা সম্ভব না। তাই এখন থেকে উৎস নিধনে কাজ করবে ডিএসসিসি। ডেঙ্গুর প্রজননস্থল সম্পর্কিত তথ্য দিতে ঢাকাবাসীর প্রতি জানিয়েছে সংস্থাটি। তথ্য দিতে তারা ০১৭০৯৯০০৮৮৮ ও ০২৯৫৫৬০১৪ হটলাইন নম্বর চালু করেছে।

এদিকে রোববার (১ আগস্ট) নগর ভবনে ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও এডিস মশা নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রম জোরদারকরণ বিষয়ে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সেখানে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মেয়র ব্যারিস্টার শেখ তাপস বলেন, ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে সারাবিশ্বেই স্বীকৃত পন্থা হলো সোর্স রিডাকশন তথা উৎস নিধন।

তিনি বলেন, এখন প্রত্যেকটি উৎসস্থলে আমরা হানা দেবো। প্রত্যেকটি উৎসস্থল আমরা ধ্বংস করব। সেজন্য সোমবার থেকে নিয়ন্ত্রণ কক্ষ চালু করা হচ্ছে। এর মাধ্যমে কাউন্সিলররা সেসব উৎসস্থল পরিদর্শনে যাবেন। মহিলা কাউন্সিলররা যাবেন, আমাদের মশক সুপারভাইজাররা যাবেন, আমাদের আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তারা যাবেন, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটরা যাবেন। সেখানে যার যা প্রয়োজন হবে সেগুলোও আমরা মেটাব এবং কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণ কক্ষ থেকে তা সমন্বয় করা হবে।

এ সময় দক্ষিণ সিটিতে ডেঙ্গু রোগী বেশি শনাক্ত হওয়ার কারণ জানতে চাইলে মেয়র বলেন, ঢাকা মানে আসলে পুরান ঢাকা, আসল ঢাকা। এখানে জনঘনত্ব বেশি। এখানে সরকারি আবাসন বেশি। আমরা এপ্রিল মাস থেকেই বলে আসছি কলোনিগুলো, আবাসনগুলোর বিষয়ে যেন সরকারি সংস্থাগুলো ব্যবস্থা নেয়। সে জায়গায় আমরা লক্ষ্য করছি যে এখানে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। সেই পরিপ্রেক্ষিতেই এই কার্যক্রম। তাই কোথায় বেশি, এটা আসলে সেভাবে দেখার বিষয় না। আমরা সবাই মিলে চেষ্টা করছি, যাতে করে এই অগাস্টের মধ্যেই তা শুন্যের কোঠায় নিয়ে আসতে পারি।

এম জি আর এ


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

একটি পরিকল্পিত আদর্শ ওয়ার্ড গড়ে তোলার লক্ষ্যে সকলের দোয়া প্রার্থী।