বিএমডিএ কর্মকর্তাদের হুমকি ঠিকাদারের বিরুদ্ধে!

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশ : ১৪ মে ২০২৬, ০৬:২২ পিএম আপডেট : ১৫ মে ২০২৬, ০৭:৫৪ এএম ১১ বার পঠিত
বিএমডিএ কর্মকর্তাদের হুমকি ঠিকাদারের বিরুদ্ধে!

বিএমডিএ কর্মকর্তাদের হুমকি ঠিকাদারের বিরুদ্ধে!

সংবাদ ২৪ ঘন্টা
১৪ মে ২০২৬
নিজস্ব প্রতিবেদক: ঘুষ দিয়েও কাজ না পাওয়ার অভিযোগ তুলে বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিএমডিএ) প্রধান কার্যালয়ে হট্টগোল ও কর্মকর্তাদের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে এক ঠিকাদারের বিরুদ্ধে। বুধবার বিকেলে রাজশাহী নগরীতে বিএমডিএ কার্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে।কৃষি সংবাদ বিভাগ অভিযুক্ত ঠিকাদারের নাম কোরবান আলী। তিনি নগরীর আমবাগান এলাকার বাসিন্দা। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বিকেলে কোরবান আলী প্রথমে ‘ডাবল লিফটিং পদ্ধতিতে পদ্মা নদীর পানি বরেন্দ্র এলাকায় সরবরাহ ও সেচ সম্প্রসারণ প্রকল্প’-এর পরিচালক (পিডি) শিবির আহমেদের কার্যালয়ে যান। সেখানে গিয়ে প্রকল্পের উপসহকারী প্রকৌশলী শরীফ উদ্দিন পাঠানকে না পেয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন এবং চিৎকার-চেঁচামেচি শুরু করেন। এ সময় তিনি অভিযোগ করেন, ঠিকাদারি কাজ পাইয়ে দেওয়ার কথা বলে উপসহকারী প্রকৌশলী শরীফ উদ্দিন পাঠান তার কাছ থেকে টাকা নিয়েছেন। কিন্তু দীর্ঘদিন অপেক্ষা করিয়েও কোনো কাজ দেননি। পরে তিনি বিএমডিএর নির্বাহী পরিচালক আবু সাঈদ মো. কামরুজ্জামানের দপ্তরের সামনে গিয়ে উত্তেজিত আচরণ করেন। ভেতরে প্রবেশ করতে চাইলে দায়িত্বরত আনসার সদস্য বাধা দিলে তাকেও গালিগালাজ করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। একপর্যায়ে কোরবান আলী দাবি করেন, নির্বাহী পরিচালকের নাম ব্যবহার করেও তার কাছ থেকে টাকা নেওয়া হয়েছে এবং এ বিষয়ে তিনি সরাসরি নির্বাহী পরিচালকের সঙ্গে কথা বলতে চান। এ সময় বিএমডিএর ভারপ্রাপ্ত সচিব এনামুল কাদির এসে পরিস্থিতি শান্ত করার চেষ্টা করলে তাকেও হুমকি ও চোটপাট করা হয় বলে জানা গেছে। বিএমডিএ সূত্রে জানা যায়, ঠিকাদার কোরবান আলী এর আগেও একাধিকবার কার্যালয়ে গিয়ে একই ধরনের অভিযোগ তুলে হট্টগোল করেছেন। প্রায় এক মাস আগেও তিনি কাজ না পাওয়ার অভিযোগে অফিসে উত্তেজনা সৃষ্টি করেন। এ বিষয়ে যোগাযোগ করা হলে ঠিকাদার কোরবান আলীর মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। আর প্রকল্প পরিচালক শিবির আহমেদ ফোন রিসিভ করেননি। অভিযোগ অস্বীকার করে উপসহকারী প্রকৌশলী শরীফ উদ্দিন পাঠান বলেন, ঘটনার সময় তিনি ও প্রকল্প পরিচালক সাইট পরিদর্শনে ছিলেন। পরে বিষয়টি শুনেছেন। বিএমডিএর নির্বাহী পরিচালক আবু সাঈদ মো. কামরুজ্জামান বলেন, ঘটনার সময় ওই ঠিকাদার মদ্যপ অবস্থায় ছিলেন। তিনি তার দপ্তরে প্রবেশ করতে পারেননি। পরে ফোনে কথা হলে কোরবান আলী জানান, সাবেক সরকারের এক কৃষিমন্ত্রীর ভাতিজাকে তিনি টাকা দিয়েছেন। নির্বাহী পরিচালক আরও বলেন, “মদ্যপ অবস্থায় তিনি বিভিন্ন কটূক্তি করেছেন। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য ভারপ্রাপ্ত সচিবকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।”#

সম্পর্কিত নিউজ

অ্যাপ ইনস্টল করুন

এই নিউজ পোর্টালটি মোবাইল অ্যাপের মতো ব্যবহার করুন।