এসআই রাজু মিয়াকে নিয়ে অভিযোগ: আরএমপির প্রতিবাদ

সংবাদ ২৪ ঘন্টা প্রকাশ : ২৫ জুলাই ২০২৬, ০১:৩৪ পিএম আপডেট : ২৫ জুলাই ২০২৬, ০২:৩০ পিএম ২২ বার পঠিত
এসআই রাজু মিয়াকে নিয়ে অভিযোগ: আরএমপির প্রতিবাদ

এসআই রাজু মিয়াকে নিয়ে অভিযোগ: আরএমপির প্রতিবাদ

সংবাদ ২৪ ঘন্টা
২৫ জুল ২০২৬
প্রেস বিজ্ঞপ্তি : রাজশাহী প্রেসক্লাবে জনৈক মো. শাহীন কবির কর্তৃক রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের (আরএমপি) বোয়ালিয়া মডেল থানায় কর্মরত এসআই রাজু মিয়ার বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশ (আরএমপি)। আরএমপির পক্ষ থেকে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গতকাল রাতে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে শাহীন কবির দাবি করেন যে, তার বিরুদ্ধে কোনো গ্রেপ্তারি পরোয়ানা না থাকা সত্ত্বেও এসআই রাজু মিয়া তাকে গ্রেপ্তার করে থানায় নিয়ে মারধর করেন, তিন লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন এবং টাকা না দেওয়ায় তার বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করেন। এছাড়া, তিনি অভিযোগ করেন যে জেলহাজতে থাকা অবস্থায় তার প্রায় তিন লাখ টাকা মূল্যের ব্যক্তিগত গাড়ি আত্মসাৎ করা হয়েছে। তবে আরএমপির দাবি, প্রকৃত ঘটনা সম্পূর্ণ ভিন্ন। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, শাহীন কবির তার স্ত্রী-সন্তানের বিষয়টি গোপন রেখে এক ছাত্রীর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলেন এবং তার সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করেন। এ সময় তিনি গোপনে ভিডিও ও স্থিরচিত্র ধারণ করেন। পরে ওই ছাত্রী তার বৈবাহিক অবস্থা জানতে পেরে সম্পর্ক থেকে সরে যেতে চাইলে শাহীন কবির গোপনে ধারণ করা ভিডিও পাঠিয়ে পুনরায় শারীরিক সম্পর্ক স্থাপনের জন্য চাপ দেন। এতে রাজি না হলে ভিডিও ও অশ্লীল ছবি ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দেন। একপর্যায়ে তিনি ভিডিও মুছে ফেলার বিনিময়ে এক লাখ টাকা দাবি করেন। টাকা না পেয়ে তিনি ওই ভিডিও ও অশ্লীল ছবি তার টিকটক আইডিতে প্রকাশ করেন বলে অভিযোগ করা হয়। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী বোয়ালিয়া মডেল থানায় পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা দায়ের করেন। ওই মামলায় এসআই রাজু মিয়া আইনানুগভাবে শাহীন কবিরকে গ্রেপ্তার করেন এবং সাক্ষীদের উপস্থিতিতে মামলার আলামত জব্দ করেন। তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোনে সংশ্লিষ্ট ভিডিও ও স্থিরচিত্র পাওয়ায় সেগুলো ফরেনসিক পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে। পরবর্তীতে আইনগত প্রক্রিয়া অনুসরণ করে তার ব্যক্তিগত গাড়ি ছেলের জিম্মায় হস্তান্তর করা হয় এবং বিষয়টি সাধারণ ডায়েরিতে (জিডি) লিপিবদ্ধ করা হয়। আরএমপি জানায়, মামলার তদন্ত, আলামত জব্দ, আসামি গ্রেপ্তারসহ সব কার্যক্রম প্রচলিত আইন ও বিধি-বিধান অনুসরণ করেই সম্পন্ন হয়েছে। বিষয়টি পর্যালোচনায় এসআই রাজু মিয়ার বিরুদ্ধে টাকা দাবি বা ব্যক্তিগত গাড়ি আত্মসাতের কোনো তথ্য-প্রমাণ পাওয়া যায়নি। তাই উত্থাপিত অভিযোগকে সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে উল্লেখ করা হয়েছে। প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, যাচাই-বাছাই ছাড়া এ ধরনের বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি এবং বাংলাদেশ পুলিশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার অপচেষ্টা। এ ধরনের মিথ্যা ও মানহানিকর অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। — আরএমপি মিডিয়া

সম্পর্কিত নিউজ

অ্যাপ ইনস্টল করুন

এই নিউজ পোর্টালটি মোবাইল অ্যাপের মতো ব্যবহার করুন।