মান্দায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে ৩ রাউন্ড গুলি, আতঙ্ক

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশ : ২৬ আগস্ট ২০২৬, ০৫:০৬ পিএম আপডেট : ২৭ আগস্ট ২০২৬, ০৫:৩৭ এএম ৫ বার পঠিত
মান্দায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে ৩ রাউন্ড গুলি, আতঙ্ক

মান্দায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে ৩ রাউন্ড গুলি, আতঙ্ক

সংবাদ ২৪ ঘন্টা
২৬ আগ ২০২৬
মান্দা প্রতিনিধি নওগাঁর মান্দা উপজেলায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে এক যুবকের ওপর তিন রাউন্ড গুলি ছোড়ার অভিযোগ উঠেছে। তবে এ ঘটনায় কেউ হতাহত হননি। গত মঙ্গলবার রাত সাড়ে আটটার দিকে উপজেলার কশব ইউনিয়নের তুড়ুকবাড়িয়া বিশ্ববাঁধসংলগ্ন সাবেরেরভিটা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগী যুবকের নাম সাফি আল জাবের ওরফে নিরব (২২)। তিনি তুড়ুকবাড়িয়া গ্রামের শাহজাহান মাঝির ছেলে। তাঁর অভিযোগ, মোটরসাইকেলে করে রাতে বাড়ি ফেরার পথে পারভেজ হোসেন ও সুলতান মাহমুদ এবং ফয়সাল মাহমুদ রোকনের নেতৃত্বে ৭-৮ জন যুবক তাঁর পথরোধ করেন। এ সময় তাঁদের সঙ্গে কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে তাঁকে লক্ষ্য করে পিস্তল দিয়ে গুলি ছোড়া হয়। গুলিগুলো লক্ষ্যভ্রষ্ট হওয়ায় তিনি প্রাণে বেঁচে যান। অভিযোগ ওঠা তিনজন হলেন তুড়ুকবাড়িয়া এলাকার আহম্মেদ আলী আকন্দের ছেলে সুলতান মাহমুদ (২১), জিয়াউর রহমানের ছেলে পারভেজ হোসেন (২৭) ও ফিরোজ হোসেনের ছেলে ফয়সাল মাহমুদ রোকন (২৫)। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুটি পক্ষের মধ্যে বিরোধ রয়েছে। তাঁদের অভিযোগ, সুলতান মাহমুদ ও পারভেজ হোসেনের নেতৃত্বে ২০-২৫ জনের একটি কিশোর-তরুণের দল এলাকায় প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করছে। অন্যদিকে নিরবের নেতৃত্বেও একটি দল রয়েছে। এ দুই পক্ষের বিরোধের জের ধরেই গুলি ছোড়ার ঘটনা ঘটতে পারে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার রাত সাড়ে আটটার দিকে বিশ্ববাঁধসংলগ্ন সাবেরেরভিটা এলাকায় পরপর তিনটি গুলির শব্দ শোনা যায়। এতে আশপাশের লোকজনের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। পরে কয়েকজন বাসিন্দা ঘটনাস্থলের দিকে এগিয়ে গেলে অভিযুক্ত যুবকেরা সেখান থেকে চলে যান। খবর পেয়ে রাতেই মান্দা থানার পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে। স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা নাম প্রকাশ না করার শর্তে অভিযোগ করেন, ২০২৪ সালের ৭ সেপ্টেম্বর রাতে গ্রাম পুলিশ শাহাবুদ্দীনের ছেলে শরিফ উদ্দিনকে (২২) হাঁসুয়া দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। ওই হত্যা মামলায় সুলতান ও পারভেজ আসামি। তাঁরা গ্রেপ্তার হয়ে দীর্ঘদিন কারাগারে ছিলেন। পরে জামিনে বেরিয়ে তাঁরা আরও বেপরোয়া হয়ে উঠেছেন বলে অভিযোগ স্থানীয়দের। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্তদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। ভুক্তভোগী সাফি আল জাবের বলেন, গুলির ঘটনায় তিনি আতঙ্কিত। এ ঘটনায় থানায় মামলা করার প্রস্তুতি চলছে। মান্দা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খোরশেদ আলম বলেন, গুলি ছোড়ার বিষয়ে এখনো কোনো এজাহার পাওয়া যায়নি। এজাহার পেলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সম্পর্কিত নিউজ

অ্যাপ ইনস্টল করুন

এই নিউজ পোর্টালটি মোবাইল অ্যাপের মতো ব্যবহার করুন।