শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের নিয়ে সম্মেলন

রাজশাহীতে ইন্টারন্যাশনাল পিস স্কুল অ্যান্ড কলেজে প্যারেন্টস কনফারেন্স

আমানুল্লাহ আমান প্রকাশ : ১০ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:৫৫ পিএম আপডেট : ১০ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:০২ পিএম ২২ বার পঠিত
রাজশাহীতে ইন্টারন্যাশনাল পিস স্কুল অ্যান্ড কলেজে প্যারেন্টস কনফারেন্স
ছবি: সংবাদ ২৪ ঘন্টা
১০ অক্টো ২০২৬ | sangbad24ghonta.com
রাজশাহীতে ইন্টারন্যাশনাল পিস স্কুল অ্যান্ড কলেজে প্যারেন্টস কনফারেন্স
বিস্তারিত কমেন্টে ↘

রাজশাহীতে ইন্টারন্যাশনাল পিস স্কুল অ্যান্ড কলেজ ঢাকা থেকে পরিচালিত রাজশাহী শাখার উদ্যোগে প্যারেন্টস কনফারেন্স ও ভর্তি কার্যক্রমের উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

গত শনিবার (১০ অক্টোবর সকালে জেলা পরিষদ মিলনায়তনে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

ড. ফজলুল হক তুহিনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য ও ইন্টারন্যাশনাল পিস স্কুল অ্যান্ড কলেজের রাজশাহী শাখার প্রধান উপদেষ্টা ড. সালেহ্ হাসান নকিব। প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইন্টারন্যাশনাল পিস ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান ড. আহসান হাবিব ইমরোজ।

বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন ইন্টারন্যাশনাল পিস ফাউন্ডেশের সেক্রেটারি আলমগীর মোহাম্মদ ইউসুফ।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের আরবি বিভাগের অধ্যাপক ও ইন্টারন্যাশনাল পিস স্কুল অ্যান্ড কলেজের চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. মো. সেতাউর রহমান।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন ইন্টারন্যাশনাল পিস স্কুল অ্যান্ড কলেজের ডাইরেক্টর ও ইসলামি ব্যাংক নিউমার্কেট শাখার ম্যানেজার মো মাইনুল ইসলাম।

তাঁদের বক্তব্যে শিক্ষার বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন এবং আধুনিক শিক্ষা ও ইসলামী শিক্ষার সমন্বয়ের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তাঁরা বলেন, একজন শিক্ষার্থীকে আদর্শ, নৈতিকতাসম্পন্ন ও মানবিক মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে আধুনিক শিক্ষার পাশাপাশি ইসলামী ও নৈতিক শিক্ষার সমন্বয় অত্যন্ত জরুরি।


বক্তারা আরও বলেন, বাংলা, আরবি ও ইংরেজি ভাষায় দক্ষতা অর্জনের পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের নৈতিক মূল্যবোধ, মানবিকতা ও ধর্মীয় শিক্ষায় শিক্ষিত করে তোলা প্রয়োজন।

আধুনিক শিক্ষার সঙ্গে ইসলামী মূল্যবোধের সমন্বয় ঘটিয়ে শিক্ষার্থীদের যোগ্য ও আদর্শ নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে ইন্টারন্যাশনাল পিস স্কুল অ্যান্ড কলেজ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে তাঁরা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

তাঁরা মনে করেন, আধুনিক জ্ঞান, নৈতিকতা ও ইসলামী মূল্যবোধের সমন্বয়ে শিক্ষার্থীদের গড়ে তোলা সম্ভব হলে ভবিষ্যতে তারা দেশ ও জাতির কল্যাণে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে পারবে।

 

অনুষ্ঠানে শিক্ষার মানোন্নয়ন, শিক্ষার্থীদের নৈতিক ও মানসিক বিকাশ এবং অভিভাবকদের সঙ্গে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পারস্পরিক সহযোগিতার গুরুত্বও তুলে ধরা হয়।

সম্পর্কিত নিউজ

অ্যাপ ইনস্টল করুন

এই নিউজ পোর্টালটি মোবাইল অ্যাপের মতো ব্যবহার করুন।