দুই দেশের বিনিয়োগ ও দীর্ঘমেয়াদি অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব জোরদারের আশাবাদ

বাংলাদেশ-কোরিয়া বাণিজ্য সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় নেবে ‘সিইপিএ’: বাণিজ্যমন্ত্রী

অর্থনীতি ডেক্স প্রকাশ : ০৩ আগস্ট ২০২৬, ০৫:৩৪ পিএম আপডেট : ০৩ আগস্ট ২০২৬, ০৬:২৫ পিএম ৩ বার পঠিত
বাংলাদেশ-কোরিয়া বাণিজ্য সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় নেবে ‘সিইপিএ’: বাণিজ্যমন্ত্রী

বাংলাদেশ-কোরিয়া বাণিজ্য সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় নেবে ‘সিইপিএ’: বাণিজ্যমন্ত্রী

সংবাদ ২৪ ঘন্টা
০৩ আগ ২০২৬
বাংলাদেশ ও দক্ষিণ কোরিয়ার মধ্যে প্রস্তাবিত সমন্বিত অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব চুক্তি (সিইপিএ) দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্ককে এক নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাবে। এটি কেবল একটি সাধারণ দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য চুক্তি নয়, বরং দীর্ঘমেয়াদি যৌথ সমৃদ্ধি গড়ে তোলার শক্তিশালী ভিত্তি। সোমবার (৩ আগস্ট) রাতে রাজধানীর হোটেল সোনারগাঁওয়ে দক্ষিণ কোরিয়ার বাণিজ্যমন্ত্রী ইয়ো হান-কুর সম্মানে আয়োজিত নৈশভোজ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। অনুষ্ঠানে বাণিজ্য সচিব মো. আতাউর রহমান খানের স্বাগত বক্তব্যের পর অন্যান্য জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা বক্তব্য রাখেন। এতে বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) চেয়ারম্যান চৌধুরী আশিক মাহমুদ বিন হারুন ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) সচিব মোহাম্মদ শাহরিয়ার কাদের সিদ্দিকীসহ সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। উন্নয়ন ও বাণিজ্য অংশীদারত্ব বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, দক্ষিণ কোরিয়া সংক্ষিপ্ত সময়ে অর্থনৈতিক উন্নয়নের যে অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে, তা বাংলাদেশের জন্য অত্যন্ত অনুকরণীয়। উন্নয়ন সহযোগিতা দিয়ে দুই দেশের সম্পর্কের শুরু হলেও বর্তমানে তা বাণিজ্য, শিল্পায়ন, উদ্ভাবন ও যৌথ বিনিয়োগের শক্তিশালী সম্পর্কে রূপ নিয়েছে। তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ স্বল্পোন্নত দেশের (এলডিসি) তালিকা থেকে উত্তরণের পথে রয়েছে এবং বৈশ্বিক অর্থনীতির সাথে আরও নিবিড়ভাবে যুক্ত হচ্ছে। এই প্রেক্ষাপটে সিইপিএ চুক্তি বাস্তবায়িত হলে দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা আরও বিস্তৃত ও বহুমাত্রিক হবে। বাংলাদেশকে ‘দ্বিতীয় শহর’ আখ্যা কোরীয় বাণিজ্যমন্ত্রীর অনুষ্ঠানে দক্ষিণ কোরিয়ার বাণিজ্যমন্ত্রী ইয়ো হান-কু বাংলাদেশকে তাঁর ‘দ্বিতীয় শহর’ হিসেবে উল্লেখ করেন। চট্টগ্রামে কাজের অতীত স্মৃতির কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, বাংলাদেশের বিকাশমান অর্থনীতি, শিল্পভিত্তি ও বিশাল বাজার দুই দেশের বাণিজ্য ও বিনিয়োগের জন্য দারুণ সম্ভাবনা তৈরি করেছে। তিনি জানান, সিইপিএ আলোচনা দ্রুত শেষ করাকে তারা অগ্রাধিকার দিয়েছেন। আগামী দুই দশকে এই চুক্তি দুই দেশের বাণিজ্য ও বিনিয়োগের জন্য একটি নির্ভরযোগ্য ও স্থিতিশীল আইনি কাঠামো নিশ্চিত করবে। অনুষ্ঠানে সিইপিএ আলোচনার সাথে যুক্ত যৌথ দল, কারিগরি বিশেষজ্ঞ ও সংশ্লিষ্টদের ভূমিকার প্রশংসা করা হয়। প্রয়োজনীয় আইনি ও প্রশাসনিক প্রক্রিয়া দ্রুত সম্পন্ন করে অদূর ভবিষ্যতে বাংলাদেশ ও দক্ষিণ কোরিয়ার মধ্যে আনুষ্ঠানিকভাবে এই সিইপিএ চুক্তি স্বাক্ষরিত হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন উভয় দেশের প্রতিনিধিরা।

সম্পর্কিত নিউজ

অ্যাপ ইনস্টল করুন

এই নিউজ পোর্টালটি মোবাইল অ্যাপের মতো ব্যবহার করুন।